বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে স্বা’মীকে আ’টকে রেখে পাঁচ স’ন্তানের জননীকে গণধ**র্ষণের অভিযোগ উঠেছে ১৭ জনের বি’রুদ্ধে। ভারতের ঝাড়খণ্ড রাজ্যের দুমকা নামক এলাকায় ঘ’টনাটি ঘটেছে।

রাজ্যটির রাজধানী রাচি থেকে ৩০০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় জে’লাটিতে এ ব’র্বর ঘ’টনা ঘটে।

বুধবার গণধ**র্ষণের স্বীকার গৃহবধূটির স্বা’মী থানায় গিয়ে দু’র্বৃত্তদের বি’রুদ্ধে এফআইআর দা’য়ের করেন। খবর হিন্দুস্তান টাইমসের।

সানথাল জোনের ডিআইজি সুদর্শন মণ্ডল ও জুমকা জে’লার এসপি ঘ’টনাস্থল আম্বরলাকরা গ্রাম পরিদর্শন করে নি’র্যাতিতার জবানব’ন্দি গ্রহণ করেছেন।

বাজার থেকে রাতে বাড়ি ফেরার পথে স্বা’মীকে আ’টকে রেখে ওই গৃহবধূকে গণধ**র্ষণ করে মাতাল ওই দু’র্বৃত্তের দল।

৩৫ বছরের ওই না’রীর ডাক্তারি পরীক্ষা করা হয়েছে। ধ**র্ষকদের মধ্যে একজনকে শনাক্ত করেছেন ধ**র্ষণের স্বীকার ওই না’রী। তাকে আ’টক করে জি’জ্ঞাসাবাদ করছে পু’লিশ।

জমি লিখে নিয়ে বৃ’দ্ধাকে রাস্তায় ফে’লে পা’লিয়েছে নাতিরা

ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজে’লায় বসতবাড়ির জমি লিখে নিয়ে হাসিনা বেওয়া নামে এক বৃ’দ্ধাকে শীতের মধ্যে রাস্তায় ফে’লে পা’লিয়ে গেছে নাতিরা।

বুধবার (৯ ডিসেম্বর) গফরগাঁও থানা পু’লিশ ৯৯৯ নাম্বারে ফোন পেয়ে শতবর্ষী ওই বৃ’দ্ধাকে তিতাস গ্যাস অফিস সংলগ্ন রাঘাইচটী গ্রামের রাস্তা থেকে উ’দ্ধার করে উপজে’লা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

জানা যায়, পৌর শহরের ৬নং ওয়ার্ডের রাঘাইচটী গ্রামের মরহুম আব্দুল খালেকের স্ত্রী হাসিনা বেওয়া।

এক ছেলে ও এক মে’য়ে রেখে স্বা’মী আবদুল খালেক মা’রা যান প্রায় ২৫ বছর আগে। স্বা’মী মা’রা যাওয়ার পর ছেলে শহিদ মিয়া ও মে’য়ে জোসনা বেগমকে নিয়ে বসবাস করতেন শহরের তিতাস গ্যাস অফিস সংলগ্ন রাঘাইচটী এলাকায়।

ছেলে শহিদ মিয়া বিয়ে করে স্ত্রী স’ন্তান নিয়ে থাকেন ত্রিশাল উপজে’লার ধলা বাজারে।

মে’য়ে জোসনা বেগম মা’রা গেছে ৪-৫ বছর আগে। বসতবাড়িতে দেড় শতাংশ জমি ছিল তা কৌশলে লিখে নেয় মে’য়ের ঘরের নাতি ইব্রাহীম ও ইস্রাফিল।

ব’য়সের ভারে ন্যুব্জ হাসিনা বেওয়া এখন আর চলাফেরা করতে পারেন না। কনকনে শীতের মধ্যে হাসিনা বেওয়াকে ভোরে রাস্তায় ফে’লে পা’লিয়ে যান নাতিরা।

বৃ’দ্ধার সৎ ছেলে জালাল মিয়া জানান, মা হাসিনা বেওয়া আমাদের স’ঙ্গে থাকেন না। জমি লিখে নেয়ার পর থেকে নাতি ইব্রাহীম ও ইস্রাফিলের স’ঙ্গে থাকেন।

এ বি’ষয়ে গফরগাঁও থানার এসআই আহসান হাবিব জানান, বৃ’দ্ধা হাসিনা বেওয়াকে রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখে কে বা কারা ৯৯৯ নাম্বারে ফোন করেন।

বৃ’দ্ধাকে উ’দ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। জি’জ্ঞাসাবাদের জন্য বৃ’দ্ধার দুই সৎ ছেলেকে আ’টক করা হয়েছে। ঘ’টনার পর থেকে নাতিরা প’লাতক রয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here