কম্পিউটারবিজ্ঞানে বিশ্বব্যাপী প্রভাবশালী ১ শতাংশ গবেষকদের একটি তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন আয়ারল্যান্ডের কর্ক ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির (সিআইটি) কম্পিউটারবিজ্ঞান বিভাগের পাকিস্তানি প্রভাষক ড. মুবাসির হোসেন রেহমানি। মুবাসির পাকিস্তানের মেহরান ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং ও টেকনোলজিতে। খরব দি এক্সপ্রেস ট্রিবিউন’র।

মুবাসির ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক, ব্লকচেইন, কগনিটিভ রেডিও নেটওয়ার্ক এবং সফটওয়্যার ডিফাইন নেটওয়ার্ক নিয়ে কাজ করছেন। সেইসাথে, ১০০টিরও বেশি পিআর রিভিউড আর্টিকেল আছে তার। তার এইসব আর্টিকেলের জন্য তিনি বেশ কয়েকবার আন্তর্জাতিক পুরস্কারও পেয়েছেন।

নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বারা প্রকাশিত বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় ৮১ জন পাকিস্তানি গবেষক রয়েছেন। যার মধ্যে কায়েদে আজম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১১ জন গবেষক এবং হরিপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপা’চার্যসহ ৫ জন গবেষক রয়েছেন এই দুই শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায়।

ভারতীয় জঙ্গলে দেখা মিলল মানুষের মতো এক বিরল প্রা’ণীর? ফেসবুকে ভাইরাল

সামাজিক যোগাগোগ মাধ্যমে পাওয়া গেল অদ্ভূ’ত দেখতে চারপেয়ে এক প্রা’ণীর কিছু ছবি। যার মুখটা মানুষের মতো, গায়ে আরমাডিলোর মতো বর্ম, আঙুলগু’লো ব্যাঙের মতো। সেইস’ঙ্গে কিছু মানুষের ছবি, যাঁরা কোনও কিছুর আঘা’তে র’ক্তাক্ত। স’ঙ্গে লেখা বর্ণনায় দাবি করা হচ্ছে- বিরল ওই প্রা’ণীর হা’মলায় আ’হত হচ্ছেন অনেকেই।

সম্প্রতি ভাইরাল হওয়া এসব পোস্টের কোথাও বলা হচ্ছে- ভারতের পশ্চিমব’ঙ্গের পুরুলিয়ার অযোধ্যা পাহাড়ে ওই প্রা’ণীটিকে দেখা গেছে। কেউ কেউ আবার লিখেছেন- রাজস্থান ও গু’জরাটের খেতে এই জীবটির দেখা মিলেছে। অ’স্ত্র নিয়ে চাষ করতে যাওয়ারও পরামর’্শ দেওয়া হচ্ছে চাষীদেরকে। অন্য এক জায়গায় বলা হয়েছে- এই প্রা’ণীটির নাম ‘কুইয়া বাঘ’।

কোথায় ছড়িয়েছে? ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে হিন্দি ও বাংলায় লেখা এমন বেশ কিছু পোস্ট। শুধু হিন্দিতে লেখা পোস্টে বলা হয়েছে- এই ঘ’টনা গু’জরাট ও রাজস্থানের। আর বাংলায় লেখা পোস্টে দাবি করা হয়েছে- এই ঘ’টনা পুরুলিয়ার অযোধ্যা পাহাড় ও সংল’গ্ন জ’ঙ্গলের।

তবে ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম বলছে- এই ত’থ্য সঠিক নয়। ছবিটিতে যে জীবটিকে দেখা যাচ্ছে- ভূ-ভারত তো দূরে থাক, গোটা বিশ্বে এমন কোনও প্রা’ণীই আদতে নেই।

পুরুলিয়ায় স্থানীয় মানুষজনের ভাষ্য মতে, এক ধরনের গিরগিটিকে তারা ‘কুইয়া বাঘ’ বলে ডাকেন। যেমন- স্থানীয় বিশ্বজিৎ দাশগু”প্ত বলছিলেন, “একটু মো’টা, একটু সবজেটে রঙের এক রকম গিরগিটি আছে, যাকে আমর’া কুইয়া বাঘ বলে ডাকি। তবে এমন কোনও প্রা’ণী দেখিনি।”

এ নিয়ে বিধাননগর স’রকারি কলেজের প্রা’ণীবিদ্যা বিভাগের প্রাক্তন অধ্যাপক অরূপ দত্তগু”প্ত বলছেন, “জীবজগতে এমন কোনও প্রা’ণীর অস্বিত্বই নেই।

সরীসৃপদের সামনে-পিছনে চার পায়েই পাঁচটা করে আঙুল থাকে। আর স্যালামান্ডার জাতীয় উভচর প্রা’ণীদের সামনের পায়ে চারটে এবং পিছনের পায়ে পাঁচটা আঙুল থাকে। কিন্তু ছবিতে থাকা প্রা’ণীটির চেহারার বৈশিষ্ট্য এর কোনওটির স’ঙ্গেই মেলে না।

আবার প্রা’ণীটির গায়ের উপরের অংশে কিছু স্ত’ন্যপায়ী বা সরীসৃপের মতো বর্ম থাকলেও শ’রীরের নীচের দিকে কোনও আঁশ নেই।” চোখ দুটো সরীসৃপ বা স্যালামান্ডারের মতো মুখের দু’পাশে নয়। অধ্যাপক দত্তগু”প্ত ের মতে, “ছবিতে থাকা প্রা’ণীটি আসলে সুকুমা’র রায়ের বকচ্ছপ বা হাঁসজারুর মতো, কল্পনা-জাত।”

সত্যিটা কী? গু’গল ইমেজ সার্চে ওই প্রা’ণীটির ছবি দিয়ে বেশ কিছু পুরনো ওয়েবসাইট লি’ঙ্কের সন্ধান মেলে। দেখা যায় যে- ২০১৮ সালের অক্টোবরেও অদ্ভূ’ত দেখতে প্রা’ণীটির এই ছবিগু’লোই ভাইরাল হয়েছিল। তখন একাধিক জায়গায় এটিকে ‘বুশি বেবি’ বলে দাবি করা হয়।

ছবিগু’লো প্রথম আপলোড হয় ২০১৮ সালের ৩ অক্টোবর লাইরা মাগানুকো বলে এক ইটালীয় ভাস্করের ফেসবুক প্রোফাইলে।

শিল্পী হাইপার রিয়েলিটি নিয়ে কাজ করেন, সিলিকোনের তৈরি এমনই সব ভাস্কর্যে নিজের কল্পনাকে ফুটিয়ে তোলেন। সুতরাং পুরুলিয়া থেকে গু’জরাট- এমন কোনও প্রা’ণীর দেখা পাওয়া যায়নি। আর তাই তার হা’মলা করারও প্রশ্ন ওঠে না।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here