রাজধানীর কাফরুলে এক না’রীকে কু’পিয়ে ও পু’ড়িয়ে হ’ত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘ’টনার পর থেকে ওই না’রীর স্বা’মীর আগের সংসারের ছেলে প’লাতক রয়েছে।

রবিবার দুপুরে কাফরুলের ইমাননগর সমিতির বাইশটেকি এলাকার একটি ফ্ল্যাটে এ ঘ’টনা ঘটে। লা’শ উ’দ্ধারের পর রবিবাররাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল ম’র্গে নিয়ে আসে পু’লিশ।

বি’ষয়টি নিশ্চিত করেছেন কাফরুল থানার এসআই আবু বকর। তিনি জানান, ওই না’রীর নাম সীমা আক্তার। স্বা’মী শাজাহান সিকদার। ৮ মাস আগে তাদের বিয়ে হয়। কাফরুলের ওই ফ্ল্যাটে স্বা’মীর স’ঙ্গে থাকতেন সীমা। খবর পেয়ে রোববার বিকালে সীমার অগ্নিদ’গ্ধ লা’শ উ’দ্ধার করা হয়।

তার শ’রীরের পেছনের দিকটা পোড়ানো, পিঠে ছু’রিকাঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এ ঘ’টনার পর থেকে তার সৎ ছেলে নাহিদ প’লাতক রয়েছে। পারিবারিক বি’রোধেই এ হ’ত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে বলে প্রতিবেশীরা পু’লিশকে জানিয়েছেন।

পু’লিশ জানায়, শাজাহান শিকদার একটি কার্টন ফ্যাক্টরির কর্ণধার। ইমাননগর সমিতি এলাকায় একটি ১০তলা ভবনের সাততলায় দ্বিতীয় স্ত্রী সীমা বেগমকে (৩৩) নিয়ে থাকতেন।

দুজনেরই এটি দ্বিতীয় বিয়ে। তাদের পাশের ফ্ল্যাটেই শাজাহান শিকদারের ছেলে নাহিদ থাকতেন সস্ত্রীক। স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্ধৃত করে পু’লিশ জানাচ্ছে, দুই পরিবারের ঝ’গড়াঝাটি হয়েছিল। তাদের আ’শঙ্কা, সে কারণেই সীমাকে খু’ন করা হয়।

পু’লিশ আরও জানায়, সীমা আক্তারের লা’শ বিছানায় উপুড় অবস্থায় পড়েছিল। তার পিঠে একাধিক ছু’রিকাঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

শ’রীরের পেছনে দিকে পোড়া ছিল। মৃ’তদে’হের পাশেই একটি লুঙ্গি ছিল। কু’পিয়ে ও পু’ড়িয়ে হ’ত্যার আগে তাকে গ’লায় লুঙ্গি বেঁ’ধে শ্বা’সরো’ধ করা হয়ে থাকতে পারে বলেও ধারণা তাদের।

রবিবার রাতে লা’শের সু’রতহাল ও ম’য়নাত’দন্ত হয়নি। সীমার গ্রামের বাড়ি ফরিদপুরের আলফাডাঙায়। সীমার স্বা’মী শাজাহান শিকদারকে জি’জ্ঞাসাবাদ করছে পু’লিশ। নাহিদ প’লাতক। তবে ঘ’টনার সময় শাজাহান বাসায় ছিলেন না।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here