মা’মলার পর দুইজনকেই নেত্রকোনা কোর্ট হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।জানা যায়, আখাশ্রী গ্রামে খায়রুলের স্ত্রী’ ১ স’ন্তানের জননী পাপিয়া আক্তারের সাথে একইগ্রমের শাহ’জাহান মুন্সীর ছেলে ৩ স’ন্তানের জনক আব্দুল্লাহর (২৮) দীর্ঘদিন ধরে পর’কী’য়া প্রেম চলছিল।

এরই সুবাধে সোমবার রাতে খায়রুলের অনুপস্থিতিতে তার ঘরে প্রবেশ করে তার স্ত্রী’র সাথে অ`ন্তরঙ্গ অবস্থায় লি’প্ত হন আব্দুল্লাহ।পর’কী’য়া প্রেমের অ’ভিযোগে প্রে’মিক-প্রে’মিকাকে আ’ট’ক করা হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।সোমবার রাতে নেত্রকোনার ম’দন উপজে’লার আখাশ্রী গ্রামে পর’কী’য়া প্রে’মিকার ঘরে অ`ন্তরঙ্গ অবস্থায় তাদের আ’ট’ক করা হয়।মঙ্গলবার তাদের নামে যৌ’ন উপদ্রব আইনে ম’দন থানায় একটি মা’মলা হয়েছে।

এ সময় স্বা’মী খায়রুল বাড়িতে ফিরে নিজ ঘরে স্ত্রী’র স’ঙ্গে আব্দুল্লাহকে দেখতে পেয়ে চি’ৎকার শুরু করলে আশে পাশের লোকজন ছুটে এসে ঘরের দরজা বন্ধ করে থানায় খবর দেন।পু’লিশ ওই রাতেই দুজনকে আ’ট’ক করে থানায় নিয়ে আসে। এ বি’ষয়ে এসআই মোশাররফ হোসেন বা’দী হয়ে পর’কী’য়া প্রে’মিক ও প্রে’মিকার বি’রুদ্ধে থানার একটি যৌ’ন উপদ্রব আইনে একটি মা’মলা দা’য়ের করেন।পু’লিশ এই মা’মলার জেরে মঙ্গলবার তাদেরকে আ’দালতে সোপর্দ করে।

ওসি মো. রমিজুল হক জানান, আখাশ্রী গ্রামে পর’কী’য়া প্রেমের খবর পেয়ে দুজনকে আ’ট’ক করে থানায় নিয়ে আসা হয়।উভ’য়ের বি’রুদ্ধে পু’লিশ বা’দী হয়ে থানায় একটি যৌ’ন উপদ্রব আইন ২৯০ ধারা একটি মা’মলা দা’য়ের করেছে। পরে তাদেরকে মঙ্গলবার নেত্রকোনা কোর্ট হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

৩০ দেশের ও’পর দিয়ে পায়ে হেঁটে হজ্ব আদায়, ১০৭ বছর বয়সেও থেমে নেই দ্বীনের কাজ ব’য়সের কারণে ন্যুজে গেছেন। দৃষ্টিশ’ক্তি, শ্রবণশ’ক্তিও কিছুটা কমে গেছে। লা’ঠি ছাড়া ঠিকমতো হাঁটতে পারেন না আর। কিন্তু ৩০ দেশের ও’পর দিয়ে পায়ে হেঁটে হজে যাওয়ার কোনো স্মৃ’তিই ভু’লে যাননি ১০৭ বছরের হাজি মোহাম্ম’দ মহিউদ্দিন। কেউ জিজ্ঞাসা করতেই মুখ থেকে ঝরতে থাকে কথার ফুলঝুরি। সবার কাছে বলতে চান সেসব দিনের কথা। আহ্বান জানান, সবাইকে একবার হলেও আল্লাহর ঘর তওয়া করার।

দিনাজপুর সদর উপজে’লার রামসাগর দিঘীপাড়া গ্রামের মৃ’ত ইজার পণ্ডিত ও মমিরন নেছার ছেলে তিনি। জাতীয় উদ্যানের বায়তুল আকসা জামে মসজিদের সাবেক ইমাম এই হাজি মো. মহিউদ্দিন।পায়ে হেঁটে হজ করতে যেতে তার সময় লেগেছিলো আঠারো মাস। এ আঠারো মাসে তিনি পাড়ি দিয়েছেন কয়েক হাজার কিলোমিটার পথ। এ সময় তিনি সফর করেছেন ৩০টি দেশ।

আর যে দেশগুলো তিনি সফর করেছেন সেগুলোর নাম এখনো মুখস্থ বলতে পারেন।১৯১৩ সালে জ’ন্ম নেয়া এই অদম্য মানুষটির ব’য়স এখন ১০৭। হাজি মহিউদ্দিন দীর্ঘদিন রামসাগর জাতীয় উদ্যানে অবস্থিত বায়তুল আকসা মসজিদের দীর্ঘদিন ইমাম ছিলেন। ব’য়সের ভারে ইমামের পদ থেকে অবসর নিলেও ছাড়েননি ইসলামের সেবা করা। তাই তিনি মসজিদের সামনের রাস্তার ধারে ১টি চেয়ার ও ১টি টেবিল নিয়ে বসে পড়েছেন। সারাদিন রামসাগরে আগত দর্শনার্থীদের কাছ থেকে মসজিদের উন্নয়নের জন্য সাহায্যও চান।

যে টুকু জীবন তিনি আর বাঁচবেন সে টুকু জীবন ইসলামের সেবা করে যাওয়ার ই’চ্ছা রয়েছে তার।আবার অনেক দর্শনার্থী তার হেঁটে হজ করার কথা শুনে তার স’ঙ্গে দেখাও করতে আসেন। তার মুখে শোনেন কীভাবে আর কোন দেশের উপর দিয়ে হেঁটে হজ করতে গেলেন। তবে দর্শনার্থীদের প্রশ্নের উত্তর দিতে তিনি কোনো দ্বিধাবোধ করেন না। সব সময় তাদেরকে সব কিছু খুলে বলেন। সারাদিন যদি ২০ জন দর্শনার্থী আসেন, হেঁটে হজ করার বি’ষয় প্রশ্ন করলেও তিনি ২০ জনকেই সব উত্তর বলে দেন। হন না কোনো রকম বির’ক্ত। ১৯৬৮ সালে হজ করার উদ্দেশ্যে পায়ে হেঁটে দিনাজপুর থেকে রওনা দেন৷

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here