ভা’’ রতে মু’সলিম’দের অবদান মুছে দেয়া হচ্ছে বলে অ’ভিযোগ করেছেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অম’র্ত্য সেন। তিনি বলেছেন, ভা’’ রত স’রকারের ক’র্তাব্যক্তিরা মু’সলিম’দের অধিকার হননের ব্যাপারে অ’তিমাত্রায় তৎপর। বহু স্কুলপাঠ্য বইতে এমন আদ্যন্ত মনগড়া ইতিহাস পরিবেশিত হচ্ছে, যেগুলোতে মু’সলিম’দের অবদানকে হয় ঢেকে দেওয়া হচ্ছে।

মঙ্গলবার জার্মান বুক ট্রেডের দেয়া শান্তি পুরস্কার-২০২০ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠান তিনি এসব কথা বলেন।

অম’র্ত্য সেন বলেন, এ দেশে হিন্দু এবং মু’সলিম’রা শতশত বছর ধরে শান্তিপূর্ণভাবে বাস করে এসেছেন। কিন্তু ইদানীং রাজনৈতিকভাবে ‘চ’রমপন্থী হিন্দুত্ববা’দী সংগঠনগুলো’র আচরণে এ দেশীয় মু’সলিম’দের বিদেশি হিসেবে গণ্য করার চেষ্টা প্রকট হয়ে উঠেছে।

তিনি বলেন, তারা এমন দোষারোপও করছে যে, মু’সলিম’রা দেশের ক্ষ’তি করে চলেছেন। চ’রমপন্থী হিন্দু রাজনীতির ক্রমবর্ধমান শ’ক্তি এতে ইন্ধ’ন জুগিয়ে চলেছে। এবং এরফলে সমাজে ধ’র্মাশ্রিত বৈরভাব ও গোষ্ঠীগত বিচ্ছিন্নতা বিপুলভাবে বাড়ছে।

দেশটির সংস্কৃতি তুলে ধরে তিনি বলেন, ভা’’ রতীয় সংস্কৃতি হল নানা ধ’র্মের লোকেদের যৌথ সাধ’নার ফল। স’ঙ্গীত বা সাহিত্য থেকে চিত্রকলা ও স্থাপত্য পর্যন্ত নানা ক্ষেত্রে এই সমন্বয়ের দেখা মেলে।

তিনি আরও বলেন, ভা’’ রতের বাইরের লোকেরা যাতে পড়তে পারেন, সেই উদ্দেশ্যে উপনিষদের মতো হিন্দু শাস্ত্রগুলোর তর্জমা’র কাজটি শুরু করেন দারা শুকো-সম্রাজ্ঞী মুমতাজের জ্যেষ্ঠপুত্র, যে মুমতাজের স্মৃ’তিতে ‘তাজমহল’ নির্মাণ করিয়েছিলেন সম্রাট শাহ’জাহান।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here