লন্ডনের ইম্পিরিয়াল কলেজের অধ্যাপক রবিন শ্যাটকের নেতৃত্বে ক’রোনা নিয়ে গ’বেষ’ণা চালাচ্ছেন একদল ব্রিটিশ বিজ্ঞানী। অধ্যাপক রবিনের মতে, ক’রোনার প্রতিষেধক হাতে এলেও তার সীমাবদ্ধতা থাকবে এবং তা মেনেও নিতে হবে।

এ বি’ষয়ে ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি জানান, একটা প্রতিষেধকের পক্ষে কি সং’ক্র’মণ রোধ করা সম্ভব, নাকি ওই রো’গের প্র’কোপ থেকে মানুষকে আগাম সুরক্ষা দেওয়া সম্ভব? প্রতিষেধকের পক্ষে ভাই’রাসের প্র’কোপ থেকে মানুষকে আগাম সুরক্ষা দেওয়া সম্ভব হলেও সং’ক্র’মণ প্রতিহত সম্ভব নয়।

ব্রিটিশ বিজ্ঞানীদের আ’শঙ্কা, প্রতিষেধক রো’গীদের উপর ভাল কাজ করলেও সং’ক্র’মণের ভ’য় কিন্তু থেকেই যাচ্ছে। সবচেয়ে বেশি চিন্তা উপসর্গহীন ক’রোনা আ’ক্রান্তদের নিয়ে। কারণ, তাদের থেকেই নিঃশব্দে ভাই’রাস ক্রমান্বয়ে সংক্রমিত হতে থাকবে।

এদিকে গত শনিবার ‘অ্যাস্ট্রা জেনিকা’র কার্যনির্বাহী প্রধান পাস্কাল সরিওট জানান, আপাতত মোট ৪২ হাজার স্বেচ্ছাসেবকের শ’রীরে এই টিকার চূড়ান্ত পর্যায়ের হিউম্যান ট্রায়াল চলছে।

সব ঠিকঠাক চললে প্রতিষেধকটির সুরক্ষা এবং কার্যকারিতার দিক বিবেচনা করে চূড়ান্ত পর্বের ফলাফল প্রকাশিত হওয়ার পর হয়তো অক্টোবরের মধ্যেই বিশ্ব বাজারে চলে আসবে অক্সফোর্ডের ক’রোনা প্রতিষেধক।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here