টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে একই রশিতে ঝুলে পরকীয়া প্রেমিক প্রেমিকার আত্নহত্যা করেছে।শুক্রবার সকালে উপজেলার রাজাফৈর পল্টন পাড়া গ্রাম থেকে তাদের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।নিহতরা হলেন,আলেয়া (৩৯)শাহজাহান (৪১)।

জানাগেছে,উপজেলার রাজাফৈর পল্টন পাড়ার শাহজাহান ও আলেয়ার বাড়ি পাশাপাশি থাকায় তাদের মধ্যে পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।দেড় মাস আগে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায় তার।

গত বুধবার পরকীয়া প্রেমিক শাহজাহান আলেয়াকে নিয়ে তার বাড়িতে উঠে।এর পর শাহজাহানের শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাদেরকে মারধোর করে।স্থানীয়রা বিষয়টি সালিশের মাধ্যমে বৃহস্পতিবার রাতে সমাধানের আশ্বাস দেয়। শুক্রবার সকালে আলেয়ার পিতা দেলোয়ার হোসেনের গোয়াল ঘরে তাদের ঝুলন্ত লাশ লাশ পাওয়া যায়।

কালিহাতী থানার ওসি সওগাতুল আলম জানান, তাদের মধ্যে পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক ছিল। ঝুলন্ত অবস্থায় তাদের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আরও পড়ুন= ছেলেকে নামিয়ে মাকে ধ’র্ষণ করল গাড়িচালক

গাজীপুরে বেড়াতে নিয়ে এক পার্লারকর্মীকে প্রাইভেটকারেই ধ’র্ষণ করেছে কারের চালক। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বিকেলে ওই চালককে আটক করেছে পুলিশ।

তার নাম পিন্টু মিয়া (২৯)। সে গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার নওলা এলাকার বারেক মিয়ার ছেলে।

জিএমপি’র কাশিমপুর থানার এস আই এ কে মানিক জানান, বুধবার (১৪ অক্টোবর) সন্ধ্যার পর কালিয়াকৈরের একটি মার্কেটে কেনাকাটা শেষে বান্ধবীর সঙ্গে পায়ে হেটে বাসায় ফিরছিলেন স্থানীয় ওই নারী পার্লার কর্মী (৩১)।

এসময় তার সঙ্গে দেখা হয় পূর্ব পরিচিত প্রাইভেটকার চালক পিন্টু মিয়ার। ওই দুই নারীকে বাসায় পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে গাড়িতে তোলে পিন্টু মিয়া। গাড়িতে বসে পিন্টু বেড়াতে যাওয়ার প্রস্তাব দিলে ওই নারী সম্মতি প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, পরে ওই পার্লার কর্মী নিজের ছেলে ও বান্ধবীকে নিয়ে পিন্টুর সঙ্গে প্রাইভেটকারে চড়ে বেড়াতে বের হন। পথে তারা ফুসকা খান। পরে ছেলে হালিম খেতে বায়না ধরলে তারা জিরানীর উদ্দেশ্যে রওনা হন। সেখানে গিয়ে হালিম খেতে পার্লার কর্মীর বান্ধবী ও ছেলেকে কার থেকে নামিয়ে দেওয়া হয়।

এসময় প্রাইভেটকারে থাকা ওই পার্লার কর্মীকে নিয়ে পিন্টু নিরাপদ স্থানে যায়। সেখানে প্রাইভেটকারের ভিতর তাকে ধ’র্ষণ করে পিন্টু। বাসায় ফিরে ধ’র্ষণের শিকার ওই নারী স্বজনদের ঘটনা জানালে তারা ৯৯৯-এ অবহিত করেন।

তিনি আরও জানান, বৃহস্পতিবার সকালে মামলা দায়ের করতে ধ’র্ষণের শিকার নারী আশুলিয়া থানায় যান। বিষয়টি জানতে পেরে ভিকটিমের সঙ্গে সমঝোতা করতে পিন্টু সেখানে যান। এসময় পুলিশ পিন্টুকে আটক করে। কিন্তু ঘটনাস্থল গাজীপুরে হওয়ায় আটককৃতকে জিএমপি’র কাশিমপুর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে ওই থানা পুলিশ।

জিএমপি’র কাশিমপুর থানার ওসি মাহবুবে খুদা জানান, খবর পেয়ে পুলিশ বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকার আশুলিয়া এলাকা হতে পিন্টুকে আটক করে। এ ঘটনায় কাশিমপুর থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here