বিভিন্ন সময় দেখা যায় দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের কোন্দল চ’রমে পৌঁছে যায় এবং এরপর থেকেই ক্রমেই সেটা নিয়ে দ্ব’ন্দ্ব বাড়তে থাকে দলীয় নেতা-কর্মীদের নিয়ে অপ্রীতিকর মন্তব্য করার কারণে অনেকেই দল ছেড়ে চলে যেতে হয় এবং তাকে চ’রম দুর্ভোগে এবার তেমনটি ঘটেছে সুনামগঞ্জ ৫ আসনের আওয়ামী লীগ থেকে নির্বাচিত সং’সদ সদস্য মুহিবুর রহমান মানিক কে নিয়ে মন্তব্য করার কারণে ক্ষ’মতাসীন দলের চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রহিম এর ক্ষেত্রে

সুনামগঞ্জ-৫ আসনে আওয়ামী লীগ থেকে নির্বাচিত সং’সদ সদস্য মুহিবুর রহমান মানিককে ’বিনা ভোটের এমপি’ আখ্যা দিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি করেছেন দোয়ারাবাজার উপজে’লার ক্ষ’মতাসীন দলের চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা ডা. আব্দুর রহিম।

সোমবার দুপুরে উপজে’লার সুরমা ইউনিয়নের টেংরাটিলায় ব’য়স্ক ভাতা বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখতে গিয়ে নিজ দলের সং’সদ সদস্যদের বি’রুদ্ধে এমন মন্তব্য করেন আওয়ামী লীগের এই উপজে’লা চেয়ারম্যান।

তার এই বক্তব্যের একটি ভিডিও ক্লিপ সামাজিক যোগাযাগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

সং’সদ সদস্যের সমর্থকরা তার বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে তাকে ‌’বিশ্বাসঘা’তক’ হিসেবে আখ্যায়িত করছেন।

অপরদিকে, এমপি-বি’রোধীরা ’সত্য কথা’বলার জন্য অভিনন্দন জানাচ্ছেন তাকে।

উপজে’লা চেয়ারম্যান ডা. আব্দুর রহিম বলেন, ’এই যে রাস্তাঘাটের কথা বলছেন, আমার নাতি সাক্ষী,প্রত্যেকটা উপজে’লা মিটিংয়ে আমরা স্পষ্ট বলছি, আপনে (এমপি মানিক) অন্তত আম’রা দুইটা রাস্তা ঠিক করে ৬ টা ইউনিয়নকে উপজে’লা পরিষদে আনার ব্যবস্থা করে দেন। উনি কোনো কথা বলেন না। আমি কী করমু? ’

তিনি বলেন, ’আমি কয়দিন আগে বলছি, মাননীয় এমপি মহোদয় আপনার কছে ২০ কোটি টাকা থোক বরাদ্দ আছে। অনুগ্রহ করে ছদকায়ে জারিয়া হিসাবে, লিল্লা হিসাবে কিছু বরাদ্দ দেন। কোন উত্তর নাই।

এর পর উপজে’লা চেয়ারম্যান ডা. আব্দুর রহিম বলেন, ’ঘ’টনাটা বুঝেননি? সত্যি কথা ডাক্তার রহিমে কয়। যদি ভোটের এমপি হইতেন, জনগণের কাছে দায়বদ্ধ থাকতেন। ভোট কে দেয় জানেননি। হাছা কথা কই, জে’ল-ফাঁ’সি হইলে আমার হইব। সেন্টারে আপনারা যাইবার আগে ভোট শেষ। তো এমপির কোনো দায়বদ্ধতা আছে? বর্তমান স’রকার ক্ষ’মতায় থাকলে মুহিবুর রহমান মানিক ভোট দিলেও এমপি না দিলেও এমপি। ভোট দিলে তো(উন্নয়নের জন্য) উনারে দায়ী করতা।’

এ বি’ষয়ে সং’সদ সদস্য মুহিবুর রহমান মানিকের ব্যক্তিগত সহকারী মোশাহিদ আলী সাংবাদিকদের বলেন, ’আশা করব অবিলম্বে ক্ষমা চেয়ে এই বক্তব্য প্রত্যাহার করে মানুষের আস্থা, ভালবাসা ও সম্মান রাখতে সচেষ্ট হবেন উপজে’লা চেয়ারম্যান। বি’তর্কি’ত বক্তব্য দিয়ে তিনি নিজের দায় অন্যের উপর চা’পানোর চেষ্টা করছেন। ’

উল্লেখ্য, গত উপজে’লা নির্বাচনে সং’সদ সদস্য মুহিবুর রহমান মানিকের সমর্থন নিয়ে আওয়ামী লীগের টিকিটে দোয়ারাবাজার উপজে’লা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন এরশাদ আমলে জাপা থেকে নির্বাচিত সাবেক উপজে’লা চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা ডা. আব্দুর রহিম।

এদিকে, সং’সদ সদস্যকে নিয়ে উপজে’লা চেয়ারম্যানের করা মন্তব্যের প্র’তিবাদে বুধবার বেলা ২টায় প্র’তিবাদ সভার ডাক দিয়েছে দোয়ারাবাজার উপজে’লা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ সকল অ’ঙ্গসংগঠন।

সম্প্রতি আওয়ামী লীগ থেকে নির্বাচিত সং’সদ সদস্য সুনামগঞ্জ ৫ আসনের এমপি কে বিনা ভোটের এমপি হিসেবে আখ্যা দিয়ে বেশ বিতর্ক সৃষ্টি করেছেন দোয়ারাবাজার উপজে’লার ক্ষ’মতাসীন দলের চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম।তাদের মধ্যে এই কোন্দলের কারণে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে এবং সং’সদ সদস্যের সর্মথকরা তার বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে তাকে বিশ্বাসঘা’তক আখ্যা দিয়েছেন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here