পরিবার এবং আইনজীবীর সাথে সাক্ষাৎসহ টেকনাফ থানার বরখাস্তকৃত ওসি প্রদীপ দাশের করা সবগুলো আবেদনই খারিজ করে দিয়েছেন আ’দালত। মহানগর দায়রা জজ মোহাম্ম’দ আশফাকুর রহমানের আ’দালতে শুনানি শেষে আবেদনগুলো খারিজ করা হয়।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দুপুরে পু’লিশের কড়া পাহারায় প্রদীপ দাশকে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কা’রাগার থেকে নেয়া হয় আ’দালত ভবনে। শুরুতেই স্বজন এবং আইনজীবীর সাথে সাক্ষাতের আবেদন খারিজ করেন আ’দালত। পরবর্তীতে কা’রাগার থেকে মোবাইলে কথা বলার আবেদনও নাকচ করা হয়। তৃতীয় দফায় আবেদন জানানো হয় কা’রাগারের বাইরে উন্নত চিকিৎসার। আ’দালত সেই আবেদনও নাকচ করে জে’লকোড অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেন।

তবে দুদকের ত’দন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার কথা থাকলেও প্রতিবেদন জমা দেয়া হয়নি। স্ত্রী চুমকির অ’বৈধ সম্পদ অর্জনের অ’ভিযোগে গত ২৩ আগস্ট দুদকের দা’য়েরকৃত এই মা’মলায় ওসি প্রদীপকেও আ’সামি করা হয়।

আরও পড়ুন= নাগরিকদের মতো গরু-মহিষেরও পরিচয়পত্র দিবে ভারত!

ভারতের বিজেপি শাসিত উত্তরপ্রদেশে এবার নাগরিকদের মতো গরু ও মহিষের জন্যও চালু হচ্ছে আধার কার্ড। এক্ষেত্রে প্রতিটি গরু ও মহিষের জন্য থাকবে ১২ সংখ্যার ইউনিক আইডি নম্বর। গরুর কানে চিপ সম্বলিত একটি হলুদ রঙের ট্যাগে সংশ্লিষ্ট গরু ও মালিকের সম্পূর্ণ ত’থ্য থাকবে।

উত্তরপ্রদেশের পাঁচ কোটি বিশ হাজার গরু-মহিষের মধ্যে এক কোটি ৩৩ লাখ গরু-মহিষের কানে হলুদ রঙের ট্যাগ লাগানো হয়েছে। এরমধ্যে ৬৬ লাখ গরু ও ৬৭ লাখ মহিষের কানে চিপ সম্বলিত ট্যাগ লাগানো হয়েছে।

প্রশাসন জানায়, ট্যাগের ভিতর গরুর বয়স, ঠিকানা, প্রজাতি, টিকাকরণের সময়, দু’ধ দেওয়ার পরিমাণ, ওজন, গরুর মালিক এবং তার ফোন নম্বর থাকবে। দু’ধ দেওয়ার ক্ষ’মতা শেষ হয়ে গেলে গরুকে গোয়াল থেকে তাড়িয়ে দেয় অনেক মালিক। ফলে রাস্তায় ঘুরতে ঘুরতে কখনো সেই গরু অনাহারে মা’রা যায় বা দু’র্ঘ’টনার কবলে পড়ে। প্রতিটি গরুর কানে ট্যাগ থাকলে এই ধরনের কাজ করার সাহস পাবে না পশুপালকরা।

উত্তরপ্রদেশ স’রকার জানায়, আগামী বছরের মার্চ নাগাদ উত্তর প্রদেশের প্রতিটি গরুর আধার কার্ড তৈরি হয়ে যাবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here