মতিন রহমান, মাগুরা সংবাদদাতা: দারিদ্র্যের কষাঘাতে দূর্বি’ষহ জীবনযাপন করছেন ৮০ বছর ব’য়সী বৃ’দ্ধ ইনছার উদ্দিন বিশ্বাস এবং তার মে’য়ে ৫০ বছর ব’য়সী বিধবা না’রী হাসি বেগম।

২৫ বছর আগে স্বা’মীর অকাল মৃ’ত্যুতে বিধবা হয়েছেন তিনি। স্বা’মীর পরিবারের কেউ না থাকায় তিনি স্বা’মীর মৃ’ত্যুর পরে বাবার বাড়িতে চলে আসেন। দরিদ্র পিতামাতা তাদের মে’য়েকে র’ক্তের টানে দূরে ঠেলে না দিয়ে নিজ ভিটায় তুলে দিয়েছেন একটি ছোট্ট ঘর। বসবাসের ঘরটা তাউ আবার মাত্র ৩ শতাংশ জায়গায়।

জানতে চাইলে হাসি বেগম এই প্রতিবেদককে জানান, একটি বিধবা ভাতার কার্ডের জন্য ২৫ বছর অপেক্ষায় রয়েছি। কেউ একটু খোঁজ নিয়েও দেখেনি।

হাসি বেগম মাগুরা সদর উপজে’লার গোপালগ্রাম ইউনিয়নের শিয়ালজুড়ি গ্রামের মোঃ ইনছার উদ্দিন বিশ্বাসের মে’য়ে। দরিদ্র পরিবারের এই বিধবা না’রী এখন তার পুত্র স’ন্তানকে নিয়ে বাবা ইনসার বিশ্বাসের বাড়িতে থাকেন।

হাসি বেগম আরো জানান, শুনতিছি এহন কত মানষির ভাতার কার্ড হোচ্ছে। তয় আমার কাড্ডা কেউ করে দেয় না। যার কাছে গিছি সেই কোচ্ছে কার্ড হোবেনে। ভোটের কার্ড নেছে কতবার। পরে আর কোনো খবর নেয়না। কাড উনরা যদি করেই দিবি তালি কবে দিবি?

এখন এমনই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে অসহায় বিধবা না’রী হাসি বেগমের মনে।

এদিকে হাসি বেগমের বাবা মোঃ ইনছার উদ্দিন জানায়, তিনি ব’য়সের ভারে নূহ্য হয়ে এখন আর কোনো কাজ করতে পারেন না। ব’য়স ৮০ বছরের উপরে। তবুও তিনি নিজেও কোনো ভাতার কার্ড পাননি। এমনিতেই অভাবের সংসার। তার উপর বিধবা মে’য়েটা ২৫ বছর ধরে তার ভিটায়।

অন্যদিকে তার ছোট মে’য়েটাও স্বা’মী পরিত্যক্তা হয়ে তার সংসারে এসে উঠেছে বলেও জানান ইনছার বিশ্বাস। এখন তার নিজের এবং তার মে’য়ে হাসি বেগমের একটা ভাতার কার্ড হলে অনেক উপকার হতো বলেও জানায় ইনছার বিশ্বাস। এজন্য তারা সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here