ধ’র্ষণের এই বি’ষয়ে (আইন সংশোধ’ন) প্রধানমন্ত্রী নিজে উদ্যোগ নিয়েছেন। আমার মনে হয়ে মানুষের মনের ভাষা প্রধানমন্ত্রী বোঝেন। এটি এখন জনদাবিতে পরিণত হয়েছে। কাজেই তাদের এই দাবিকে অবশ্যই আমরা স্বীকৃতি দেবো। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে স’রকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।

সোমবার (১২ অক্টোবর) স’চিবালয়ে সেতু ম’ন্ত্রণালয়ে বাংলাদেশে ভারতের নতুন হাইকমিশনার বিক্রম কুমার দোরাইস্বা’মীর স’ঙ্গে সাক্ষাত শেষে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, সর্বোচ্চ সাজা নিশ্চিত হলে ধ’র্ষকদের মধ্যে একটি ভীতিও থাকবে। যেভাবে বাড়ছে নরীর প্রতি সহিং’সতা ধ’র্ষণ বন্ধ করতে হলে এ ধরনের কঠোর আইন প্রয়োগ করতে হবে।

তিস্তা চুক্তি নিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদি অত্যন্ত আন্তরিক জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, তিনি চেষ্টা চা’লিয়ে যাচ্ছেন। দু’দেশ আলোচনা করে সমাধানে ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে। দুদেশের স’রকার মধ্যে সম্প’র্কে কৃত্রিম দেয়াল আর নেই। এখন সম্প’র্ক নতুন উচ্চতায় উন্নিত হয়েছে।

সড়ক যোগাযোগ অবকাঠামৈা নিয়ে দু’দেশের মধে আলোচনা হয়েছে। কাজ চা’লিয়ে যেতে আলোচনা হয়েছে বলেও জানান স’রকারের এ মন্ত্রী।

আরও পড়ুন= আইন সংশোধ’ন নিয়ে যা বললেন মন্ত্রিপরিষদ স’চিব

ধ’র্ষণের সর্বোচ্চ শা’স্তি মৃ’ত্যুদ’ণ্ডের বিধান রেখে সংশোধিত ‘না’রী ও শি’শু নি’র্যাতন দ’মন আইন, ২০০০’ এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন নিয়ে মন্ত্রিপরিষদ স’চিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেছেন, এ সংশোধ’নী শুধু আন্দোলনের প্রেক্ষিতে নয়, বিভিন্ন দেশের সার্বিক পরিস্থিতি আমরা দেখেছি। আমাদের বর্তমান পরিস্থিতিসহ সবকিছু মিলিয়েই এ সি’দ্ধান্ত এসেছে। স’রকারের পক্ষ থেকেও এটি অলোচনায় এসেছে। মানুষের অ্যাওয়ারনেসটাই গুরুত্বপূর্ণ।

সোমবার (১২ অক্টোবর) মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর স’চিবালয়ে সীমিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান। এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার ভার্চুয়াল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে এবং মন্ত্রিপরিষদের অন্য সদস্যরা স’চিবালয় থেকে ভার্চুয়াল এই সভায় যোগ দেন।

ধ’র্ষণের মা’মলা কতোদিনের মধ্যে সমাপ্ত করতে হবে এমন প্রশ্নের জবাবে স’চিব বলেন, এটি ১৮০ দিনের মধ্যে সম্পন্নের সি’দ্ধান্ত আছে। ত’দন্ত বিচার পদ্ধতি সবকিছুই এর মধ্যে উল্লেখ রয়েছে। না’রী শি’শু নি’র্যাতন ট্রাইব্যুনাল এটি করবে এবং শেষ করতে হবে ১৮০ দিনের মধ্যে। বিচারক যদি কোন কারণে ট্রান্সফার হয়ে যায় সেক্ষেত্রেও বিলম্ব হয় অনেক ক্ষেত্রে। তবে কোন বিচারক চলে গেলে তিনি মা’মলা যে অবস্থায় রেখে যাবেন সে অবস্থা থেকে মা’মলা চা’লিয়ে যেতে হবে।

তিনি জানান, তবে যেহেতু এখন সং’সদের অধিবেশন নেই এবং অাশু ব্যবস্খা নেয়া জরুরি হয়ে পড়েছে তাই রাষ্ট্রপতির প্রদত্ত ক্ষ’মতাবলে অধ্যাদেশ প্রদান করতে পারবেন। ভেটিংয়ের পরিপ্রেক্ষিতে ফাইনাল কার্যকর হয়ে যাবে।

এই সংশোধ’নীর ফলে মৃ’ত্যুদন্ডের বি’ষয়ে ব্যাপক ক্যাম্পেইন হচ্ছে উল্লেখ করে আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, এর ফলে একটি পজিটিভ ইম্প্যাক্ট পড়বে সাধারন মানুষের মধ্যে। যারা এই ক্রা’ইমটি করবে তারা চিন্তা করবে এতে তো মৃ’ত্যুদন্ডের আদেশ রয়েছে। সে কিন্তু একটু হলে স্ক্যারট থাকবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here