ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে অ’ভিযুক্তদের গ্রে’ফতার দাবিতে বৃহস্পতিবার (০৮ অক্টোবর) থেকে আমরণ অ’নশন করছেন নুরুল হক নুরসহ ৬ জনের বি’রুদ্ধে রাজধানীর লালবাগ থানায় ধ’র্ষণ মা’মলা করা সেই ছাত্রী। অ’ভিযুক্তরা গ্রে’ফতার না হওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি থেকে না সরার ঘোষণা দিয়েছেন।

ধ’র্ষণের অ’ভিযোগে মা’মলা করেছেন ভু’ক্তভোগী। প্রকাশে ঘুরে বেড়াচ্ছে অ’ভিযুক্তরা। অংশ নিচ্ছেন রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে। করে বেড়াচ্ছেন সভা সমাবেশ, মিছিল মিটিং। এতে ক্ষুদ্ধ শঙ্কিত ওই ঢাবি শিক্ষার্থী।

ভু’ক্তভোগী ছাত্রী গত ২০ সেপ্টেম্বর রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সং’সদের (ডাকসু) সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরসহ ৬ জনের বি’রুদ্ধে রাজধানীর লালবাগ থানায় ধ’র্ষণ মা’মলা করেন। মা’মলায় নুরের বি’রুদ্ধে ধ’র্ষণে সহযোগিতার অ’ভিযোগে করা হয়। পরে ২১ সেপ্টেম্বর তিনি কোতোয়ালি থানায় একই অ’ভিযোগে আরেকটি মা’মলা করেন।

মা’মলায় প্রধান আ’সামি বা ধ’র্ষণকারী হিসেবে অ’ভিযুক্ত করা হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরেক শিক্ষার্থী হাসান আল মামুনকে। মা’মলার অন্য আ’সামিরা হলেন, নাজমুল হাসান, মো. সাইফুল ইসলাম, নাজমুল হুদা ও আবদুল্লাহ হিল বাকি।

আমরণ অ’নশনে বসা সেই ছাত্রী শুক্রবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে তিনি অ’সুস্থ হয়ে পড়েন। তাৎক্ষণিক তাকে স্যালাইন দেওয়া হয়। হাসপাতালে নেওয়ার কথা বললেও তিনি যেতে রাজি হননি।

ওই ছাত্রী গণমাধ্যমকে বলেন, শুক্রবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে অ’সুস্থ বোধ করি। তখন বমি হয় আমার। অ’নশনের কারণে শা’রীরিকভাবে কিছুটা দু’র্বল হয়ে পড়েছি। কথা বলতে ক’ষ্ট হচ্ছে। কিন্তু আ’সামিরা গ্রে’ফতার না হওয়া পর্যন্ত অ’নশন ভাঙবো না। আমার স’ঙ্গে যা হয়েছে, তা যেন অন্য কারও স’ঙ্গে না হয় সে জন্যই এই ত্যাগ স্বীকার করছি।

ভু’ক্তভোগী ছাত্রী তার অ’ভিযোগে বলেন, আমার স’ঙ্গে হাসান আল মামুনের পরিচয়ের সূত্র ধরে বিভিন্ন সময়ে ম্যাসেঞ্জার, ইমো ও হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে কথোপকথন হয়। সেখানে আমাকে শা’রীরিক সম্প’র্কের ইঙ্গিত দেওয়া হয়। গত ৩ জানুয়ারি দুপুরে হাসান আল মামুন আমাকে তার রাজধানীর নবাবগঞ্জ, মসজিদ রোড, ১০৪ নম্বর বাসায় যেতে বলে। সেখানে আমাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধ’র্ষণ করে সে।

এর আগে গত ২০ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী লালবাগ থানায় বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের তখনকার আহ্বায়ক হাসান আল মামুনকে প্রধান আ’সামি করে ছয়জনের বি’রুদ্ধে ধ’র্ষণের মা’মলাটি দা’য়ের করেন ওই ছাত্রী।

এজাহারে ধ’র্ষণে সহযোগিতাকারী হিসেবে নুরুল হক নুরের নাম উল্লেখ করা হয়। এরপর গত ২১ সেপ্টেম্বর বা’দী কোতয়ালী থানায় একই অ’ভিযোগে আরেকটি মা’মলা দা’য়ের করেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here