সিলেট নগরীর পশ্চিম কাজলশাহ এলাকায় এক তরুণীর শ্লী’লতাহা’নির চেষ্টা করেছে এক যুবক। এ ঘ’টনায় বা’ধা দিতে গেলে তরুণীর ভাইকে মা’রধর করা হয়। এর প্র’তিবাদে বিক্ষু’ব্ধ জনতা সড়ক অ’বরোধ করে টায়ার জ্বা’লিয়ে বিক্ষোভ করেছে। গতকাল বুধবার রাতে এ বি’ক্ষো’ভের ঘ’টনা ঘটে।

স্থানীয় লোকজন জানান, পশ্চিম কাজলশাহ সোনার বাংলা আবাসিক এলাকার আশুক খান বুধবার বিকেলে পাশের বাসার এক তরুণীকে উ’ত্ত্যক্ত ও ধ’র্ষণের চেষ্টা চা’লায়। তরুণী তাঁর কবল থেকে নিজেকে রক্ষা করে বি’ষয়টি পরিবারের সদস্যদের জানান।

এ খবর পেয়ে তরুণীর ভাই (৩৫) প্র’তিবাদ করলে ব’খাটে আশুক খান ও তাঁর লোকজন তাঁকে মা’রধর করে। বি’ষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় লোকজন ক্ষো’ভে ফে’টে পড়ে। তারা আশুক খানকে গ্রে’প্তারের দাবিতে গভীর রাত পর্যন্ত রাস্তায় টায়ার জ্বা’লিয়ে বিক্ষোভ করেন।

এ ব্যাপারে হা’মলার শি’কার যুবক জানান, আশুক খান তাঁর বোনকে প্রায়ই উ’ত্ত্যক্ত করতেন। বুধবার বিকেলে তাঁর শ্লী’লতাহা’নির চেষ্টা করে। এর আগে বোনকে উ’ত্ত্যক্ত করার কারণে তিনি ৪ অক্টোবর কোতোয়ালি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরিও (জি’ডি) করেন।

যোগাযোগ করা হলে কোতোয়ালি থানার ভারপ্রা’প্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্ম’দ সেলিম মিয়া বলেন, রাতে কিছু বাসিন্দা সড়কে বিক্ষোভ করছে খবর পেয়ে পু’লিশ ঘ’টনাস্থলে যায়। এখন পরিস্থিতি শান্ত আছে। অ’ভিযুক্ত আশুক খানকে গ্রে’প্তারে অ’ভিযানে নেমেছে পু’লিশ।

আরও পড়ুন= ধ’র্ষ’ণকারীদের বি’রুদ্ধে মি’ছিল করায় শি’ক্ষার্থীকে পে’টালো ছা’ত্রলীগ

দেশ ব্যাপী আলোচিত ধ’র্ষ’ণের প্র’তিবাদ মিছিলে অংশ নেওয়ায় শি’ক্ষার্থীকে পি’টিয়েছে ছা’ত্রলীগ। জে’লার জুড়ী উপজে’লায় এক শি’ক্ষার্থীকে ডেকে নিয়ে উপজে’লা ছা’ত্রলীগের স’ভাপতি ও সাধারণ স’ম্পাদকের নে’তৃত্বে তাকে পে’টানোর অ’ভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার বিকেলে জুড়ী উপজে’লার নাইট চৌমূহনা এলাকায় এই ঘ’টনাটি ঘটে।

জানা যায় সম্প্রতি এমসি কলেজে ছা’ত্ররীগ নে’তাকর্মীর গণধ’র্ষ’ণসহ সারাদেশের ধ’র্ষ’ণকারীদের গ্রে’ফতার ও উপযুক্ত শা’স্তির দা’বিতে সোমবার জুড়ী বাজারে এক বি’ক্ষো’ভ মি’ছিল করে সাধারণ শি’ক্ষার্থীরা। এই রেশ ধরে জুড়ী উপজে’লা ছা’ত্রলীগের স’ভাপতি ও সাধারণ স’ম্পাদকসহ কয়েকজন নে’তাকর্মী মিলে শাহাব উদ্দিন (২৭) নামের ওই শি’ক্ষার্থীকে বে’দড়ক মা’রধর করে।

পরে গু’রুতর আ’হত অবস্থায় স্থা’নীয়রা তাকে উ’দ্ধার করে হা’সপাতালে নিয়ে চি’কিৎসা দেন। নি’র্যাতনের শি’কার শি’ক্ষার্থী শাহাব উদ্দিন বলেন জুড়ীতে দেশব্যাপী ধ’র্ষ’ণের প্র’তিবাদে একটি বি’ক্ষো’ভ মি’ছিল হয়। সেটিতে আমিও ছিলাম।

এই টা’র্গেট নিয়ে দুপুরে জুড়ী বাজারে উপজে’লা ছাত্র’লীগের স’ভাপতি সাহাব উদ্দিন সাবেল ও সাধারণ ইকবাল ভূঁইয়া আমার মোটরসাইকেলে উঠে। বলে আমার সাথে কথা আছে। চা খেতে খেতে বলা যাবে। এই বলে তারা আমাকে নাইট চৌমুহনায় নিয়ে যায়। ওখানে আগে থেকে ও’ৎ পেতে থাকা ১৫-২০ জন ছা’ত্রলীগ নে’তাকর্মী হ’ঠাৎ করে স’ভাপতি ও সাধারণ স’ম্পাদকের নি’র্দেশে আমার উপর অ’তর্কিত হা’মলা চা’লায়।

তাদের বে’দড়ক পি’টুনীতে আমি জ্ঞান হা’রিয়ে ফে’লি। পরে স্থা’নীয়রা ওখান থেকে উ’দ্ধার করে হা’সপাতালে নিয়ে যান। তিনি বলেন একপর্যায়ে পু’লিশ ঘ’টনাস্থলে উপস্থিত হয়। পরে আমার মোটরসাইকেলটি থানায় নিয়ে যায়। এবি’ষয়ে উপজে’লা ছা’ত্রলীগের স’ভাপতি সাহাব উদ্দিন সাবেল বি’ষয়টি অ’স্বীকার করে বলেন এরকম কোনো ঘ’টনা ঘটেনি।

জুড়ী থানার ভারপ্রা’প্ত কর্মকর্তা সঞ্জয় চ’ক্রবর্তী বলেন আমরা এরকম কোনো অ’ভিযোগ পা’ইনি। অ’ভিযোগ পেলে ব্য’বস্থা নেবো। বিকেলে চৌমুহনায় একটি মোটরসাইকেল পেয়েছি। মালিকানা যাচাইয়ের জন্য সাইকেলটি থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here