যশোরের শার্শার নাভারনে কাজের মে’য়ে তিন মাস ধরে ধ’র্ষ’ণের শি’কার হওয়ার ঘ’টনায় আজ মঙ্গলবার শার্শা থানায় এসে একটি অ’ভিযোগ দেয় ভু’ক্তভোগী কাজের মে’য়ে। পরে শার্শা থানা পু’লিশ নাভারন রেল বাজার এলাকার হাজী এনামুল হকের ছেলে আবির হোসেনকে (২৬) তার বাসা থেকে আ’টক করে থানায় নিয়ে আসে।

ধ’র্ষ’ণের শি’কার মে’য়েটির ফুফু বলেন, গত তিন মাস আবির হোসেন আমার ভাইজিকে নিয়মিত ধর্ষন করে এবং তার উপরে নি’র্যাতন করতেন। আমার ভাইজিকে ওই বাড়ি থেকে নিয়ে আসার পর ঘ’টনাটি আমাকে বলে। আমি স্থানীয় মেম্বার এর সহযোগীতা নিয়ে শার্শা থানায় এসে ওসিকে ঘ’টনাটি খুলে বলি। পরে শার্শা থানার পু’লিশ সকল কথা শুনে অফিযুক্ত আবির হোসেন কে আ’টক করে থানায় নিয়ে আসে।

এ বি’ষয়ে শার্শা থানার (ওসি) বদরুল আলম বলেন, আজ সকালে ধর্ষনের শি’কার এক কাজের মে’য়ে থানায় এসে একটি ধ’র্ষ’ণের অ’ভিযোগ দা’য়ের করে। পরে অ’ভিযুক্ত আবির হোসেনকে থানায় নিয়ে আসি। এ ব্যাপারে থানায় মা’মলায় হয়েছে। যার মা’মলা নং ০৯।

আরও পড়ুন= ধ’র্ষণে ব্যর্থ হয়ে স্কুলছাত্রীকে ছু’রিকাঘাত, থানায় মা’মলা না নেয়ায় আ’দালতে বাবা

ধ’র্ষণের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে এক স্কুলছাত্রীর ঘাড়ে ছু’রি দিয়ে আ’ঘাত করেছে মতিউর রহমান নামের এক মাদরাসা ছাত্র। টাঙ্গাইলের নাগরপুরে এ ঘ’টনা ২২দিন পেরিয়ে গেলেও পু’লিশ মা’মলায় নেয়নি বলে অ’ভিযোগ করেছেন ওই ছাত্রীর বাবা। তাই বা’ধ্য হয়ে মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিকালে তিনি মে’য়েকে নিয়ে টাঙ্গাইল আ’দালতে এসেছেন মা’মলা দা’য়ের করতে।

মে’য়ের বাবা বলেন, তার মে’য়ে স্কুলে যাওয়া আসার সময় পাশের বাড়ির আব্দুস সালামের ছেলে মতিউর রহমান উত্যক্ত করতো। গত ১৪ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় মতিউর তার মে’য়ের ঘরে ঢুকে কুপ্রস্তাব দেয় ও ধ’র্ষণের চেষ্টা করে। এতে বা’ধা দিলে মতিউর তার কাছে থাকা ছু’রি দিয়ে মে’য়ের ঘাড়ে আ’ঘাত করে। এ সময় মে’য়ের চি’ৎকারে বাড়ির লোকজন এগিয়ে গেলে মতিউর পা’লিয়ে যায়।

পরে মে’য়েকে নাগরপুর উপজে’লা স্বা’স্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। জেনারেল হাসপাতালে তিনদিন ভর্তি রেখে মে’য়েটিকে চিকিৎসা দেয়া হয়।

তিনি আরও জানান, হাসপাতালে নেয়ার পর তার আ’ঘাতের স্থানে ২৫টি সেলাই করা হয়েছে। তিনি নিজে বাদি হয়ে ঘ’টনার পরদিন নাগরপুর থানায় একটি লিখিত অ’ভিযোগ দেন। অ’ভিযোগের কাগজটি রেখে দিলেও পু’লিশ আজ পর্যন্তও মা’মলা রেকর্ড করেনি। তাই তিনি বা’ধ্য হয়ে আ’দালতে এসেছেন মা’মলা করতে। আইনজীবীদের সাথে পরামর্শ করে মা’মলা দা’য়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

মে’য়েটির বাবা জানান, তার মে’য়েকে মতিউর উত্যক্ত করে এ কথা মতিউরের বাবাকে একাধিকবার বলা হয়েছে। কিন্তু তিনি মতিউরকে শাসন করেননি। উল্টো মতিউরের সাথে তার মে’য়েকে বিয়ে দেয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন।

এ বি’ষয়ে মা’মলা দা’য়ের না হওয়ার প্রস’ঙ্গে নাগরপুর থানার ভারপ্রা’প্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলম চাঁদ জানান, তার কাছে অ’ভিযোগ নিয়ে কেউ আসেনি। আসলে মা’মলা রেকর্ড করতেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here