মিন্নি আ’গাগো’ড়াই ষ’ড়য’ন্ত্রের শি’কা’র। তাকে ষ’ড়য’ন্ত্রমূ’লকভাবে ফাঁ’সা’নো হয়েছে। আ’দালতের রায়েও সে মুক্তি পায়নি। এই রায়ের বি’রু’দ্ধে হাই’কোর্টে আপিল করা হবে। আশা করি, উচ্চ আ’দালত থেকে মিন্নি খা’লাস পাবে। আমি আবারও বলছি, মিন্নি নি’রপ’রা’ধ।”

বরগুনায় দিনদুপুরে প্র’কাশ্যে শাহ নেওয়াজ রিফাত শরীফকে কু’পি’য়ে হ’’ত্যার মাম’লায় নি”হ’তের স্ত্রী’ আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নির ফাঁ’’সির রা’য়ের পর গত বৃহস্পতিবার তার আ’ইনজীবী জেড আই খান পান্না এসব কথা বলেছেন। তিনি হা’ইকোর্টে মিন্নির জা’মি’নের আবেদনের পক্ষে শু’নানি করেছিলেন।

এই আ’ইনজীবী বলেন, ”মিন্নিকে থা’নায় বা জে’লগেটে জি’জ্ঞা’সাবা’দ করা হয়নি। তাকে পু’লিশ লাইনসে ডেকে নিয়ে আ’ট’কে রে’খে মা’নসি’ক নি’’র্যা’তন করে স্বী’কারো’ক্তিমূ’লক জ’বানব’ন্দিতে স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে।

আরেকটি বি’ষয়, মিন্নির জ’বানব’ন্দির আগেই এসপি বলে দিলেন যে মিন্নি হ’’ত্যার কথা স্বী’কার করেছে। একজন এসপি এটা কিভাবে বলেন? এ কারণেই আমি বলছি, মিন্নি আগাগোড়া ষ’ড়য’ন্ত্রের শি’কা’র।

এ জন্য রায়ের আগে ফোন করে মিন্নি ও তার বাবাকে বলেছি মা’ন’সিকভাবে প্রস্তুতি নিতে। এ ধ’র’নের একটা রায় আসতে পারে।”

আরও পড়ুন= যেসব প্রাথমিক শিক্ষকদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেবে স’রকার

জাতীয়করণ করা ২৬ হাজার ১৯৩টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আত্তীকরণ করা শিক্ষকদের পাঠদানে স’ক্ষম করে তুলতে বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নিচ্ছে স’রকার। এ লক্ষ্যে সম্প্রতি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের কাছে ত’থ্য চেয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা ম’ন্ত্রণালয়। প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে এ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

খবর: বাংলা ট্রিবিউন জানতে চাইলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা ম’ন্ত্রণালয়ের সিনিয়র স’চিব মো. আকরাম-আল-হোসেন বলেন, ‘জাতীয়করণ করা যেসব শিক্ষকদের শ্রেণি পাঠদানে মানসম্মত নয়, সেসব শিক্ষকদের মানোন্নয়নে ত’থ্য চেয়েছি। জাতীয়করণ করা সব শিক্ষক নয়, কিছু শিক্ষকের পাঠদানের সক্ষ’মতা কম, মান ভালো না,

তাদের বিশেষভাবে প্রশিক্ষণ দিয়ে মানোন্নয়ন করা হবে।’বর্তমান স’রকার ক্ষ’মতায় আসার পর তিন দফায় দেশের ২৬ হাজার ২৬ হাজার ১৯৩টি নিবন্ধিত বেস’রকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ করে। জাতীয়করণ করা এসব প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আত্তীকরণ করা শিক্ষকদের একটি বড় অংশ নিম্নমানের পাঠদান করে থাকে।

জাতীয়করণের পর প্রচলিত প্রশিক্ষণ দেয়া হলেও তাদের মানোন্নয়ন হচ্ছে না। এ কারণে এসব শিক্ষকের মানোন্নয়ন করার লক্ষ্যে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেয়া হবে।প্রাথমিক শিক্ষকদের নিয়োগের পর এক বছরের সার্টিফিকেট ইন এডুকেশন (সিইন-এড), ১৮ মাসের ডিপ্লোমা ইন প্রাইমারি এডুকেশন (ডিপইন-এড) এবং বিভিন্ন ছোট প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। যাদের এসএসসি পাস সনদ তারা সিইনএড সার্টিফি’টেক কোর্সসহ অন্যান্য প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

আর যারা এইচএসসি বা গ্রাজুয়েশন সম্পন্ন তাদের দেয়া হয় ডিপইন-এড সার্টিফিকেট কোর্স। জাতীয়করণ করা শিক্ষকদের একটি বড় অংশ এসব প্রশিক্ষণ নেয়ার পরও তাদের পাঠদানের মান উন্নয়ন হয়নি। এর ফলে প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে ঘাটতি থেকে যাচ্ছে। এসব বিবেচনায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা ম’ন্ত্রণালয় বিশেষ প্রশিক্ষণ দিয়ে তাদের মানোন্নয়ন ঘটাতে চায়।

এ বি’ষয়ে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক ঐক্য পরিষদের সদস্য স’চিব ও সহকারী শিক্ষক সমিতির সভাপতি মোহাম্ম’দ শামছুদ্দীন মাসুদ বলেন, ‘এখনও যেসব শিক্ষকরা মানসম্মত পাঠদানে অ’ক্ষম তাদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেয়ার বি’ষয়টি গুরুত্বপূর্ণ।

তবে মানসম্মত পাঠদানের জন্য সব শিক্ষকদের নতুন নতুন প্রশিক্ষণ দেয়া উচিত। পরিবর্তিত পরিস্থিতির স’ঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে ত’থ্য-প্রযুক্তি সংক্রান্ত প্রশিক্ষণের প্রয়োজন রয়েছে প্রাথমিক শিক্ষকদের।

সার্টিফিকেট কোর্স সম্পন্ন থাকলেও সব শিক্ষকদেরই যুগোপযোগী আধুনিক প্রশিক্ষণ প্রয়োজন বলে মনে করি।’প্রশিক্ষণ গ্রহণ এবং শ্রেণি পাঠদানে জাতীয়করণ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আত্তীকরণ করা করা শিক্ষকদের পাশাপাশি সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের শ্রেণি পাঠদানে মনোযোগ দেয়ার আহ্বান জানান ম’ন্ত্রণালয়ের সিনিয়র স’চিব।

এ প্রস’ঙ্গে সিনিয়র স’চিব মো. আকরাম আল-হোসেন বলেন, ‘শিক্ষকতার মা’নসিকতা নিয়ে শিক্ষকতা করতে হবে। লাখ লাখ স’ন্তানের ভবি’ষ্যৎ জীবন যাদের হাতে তারা মনোযোগী না হলে মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। যদি কোনো শিক্ষক শিক্ষকতাকে ব্রত হিসেবে না নিতে পারেন, তাদের চাকরি ছেড়ে দেয়া উচিত।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here