ডি’বিবিএল পারসোনাল লোন যখন তখন মাত্র ১ % প্রক্রিয়াকরণ ফি সম্বলিত একটি আ’কর্ষণীয় প্যাকেজ। এটি ব্যাক্তিগত চা’হিদাগু’লি বিস্তৃত করার জন্য ব্যাক্তিগত ঋ’ণ সুবিধা প্রদান করে। তাহলে আর চিন্তা কি যখন তখন প্রয়োজন মেটাতে নিয়ে নিন সর্বোচ্চ সুবিধাযুক্ত ডি’বিবিএল পার্সোনাল ঋ’ণ।

মূ’ল বৈশিষ্ট্য: সর্বনিন্ম অর্থের পরিমাণ ৫০,০০০ টাকা, সর্বোচ্চ অর্থের পরিমাণ ২০,০০,০০০ টাকা। নূন্যতম ঋ’ণের মেয়াদ ১ বছর, সর্বোচ্চ ঋ’ণের মেয়াদ ৫ বছর, দ্রু’ত ও সহজ প্রক্রিয়া, সহনশীল মাসিক কিস্তি, লোনের পরিমান ২০ লক্ষ টাকা, অনুমোদন সময়কাল:ডাচ বাংলা ব্যাংক আপনার লোনের আবেদন করার পর আবেদন পর্যালোচনা এবং ঋ’ণ মঞ্জুর করার জন্য ১৫ থেকে ২০ দিন কর্ম’দিবস সময় নিবে।

উদ্দেশ্য: নিন্মোক্ত ব্যয় খরচ পূরণ করার জন্য: মেডিকেল, শিক্ষা, বিবাহ, ভ্রমণ, উৎসব, পেশাদারদের জন্য সরঞ্জাম এবং অফিস সেট আপ, ভোক্তাদের জন্য টেকসই লাইফস্টাইল পণ্য ক্রয়, অন্য যে কোন বৈধ উদ্দেশ্য।

নির্বাচিত হওয়ার যোগ্যতা: ব’য়স ১৮-৭০ বছর ঋ’ণের মেয়াদ বা অবসরের ব’য়স শেষ হওয়ার পূর্বে. নূন্যতম আয় প্রতিমাসে ২০,০০০ হাজার টাকা, জাতীয়তা বাংলাদেশী নাগরিক হতে হবে।

আবেদন প্রার্থীর যোগ্যতা: বেতনভোগী কর্মকর্তা, পেশাদারগণ (ডাক্তার, স্থপতি, প্রকৌশলী, চাটার্ড এ্যাবাউন্টেন্টস ইত্যাদি) ল্যান্ডলর্ড/ ল্যান্ড ল্যাডি, স্বনির্ভর ব্যাক্তি। পরিশোধের মেয়াদ: ৬০ মাস পর্যন্ত, শর্ত প্রয়োজ্য।

ফি ও চার্জ: প্রক্রিয়াকরণ ফি ১% (ম্ঞ্জুরকৃত লোনের উপর), দ্রু’ত নিষ্পত্তি ফি ২% (অপরিশোধিত লোনের উপর) স্ট্যাম্প শুল্ক ফি ১২৫০ টাকা, বিলম্বে পরিশোধ ফি: সর্বোচ্চ তিনটি কিস্তি দেরীতে পরিশোধ করা যাবে, বাকি কিস্তিগুলোর জন্য জরিমানা আরোপ করা হবে।

প্রয়োজনীয় দলিলপত্রাদি: লেটার অফ ইন্ট্রোডাকশন (চাকরীজিবীদের জন্য) বৈধ পাসপোর্ট/ ভোটার আইডি কার্ড/ড্রাইভিং লাইসেন্স এর কপি, বিজনেস কার্ড/অফিস আইডি, বেতন হিসাবের বিবরনী, টিএন্ডটি/মোবাইল ফোন/অন্যান্য ইউটিলিটি বিলের কপি, ট্যাক্স সার্টিফিকেট, সর্বশেষ ১ বছরের ব্যাংক হিসাব, ২ কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি।

টানা অফিস করেও ফি’ট থাকবেন যেভাবে

অফিস মানেই দীর্ঘ সময় ডেস্কে বসে কাজ করা। দিনের পুরোটা সময় সেখানেই কে’টে যায়। এভাবে দীর্ঘ সময় ধরে বসে কাজ করলে শ’রীরে মেদ জমে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। কিন্তু ব্যায়ামেরও সময় পাচ্ছেন না। আসুন জেনে নেওয়া যাক টানা বসে কাজ করেও কীভাবে ফি’ট থাকা যায়-

না খেয়ে অফিস নয় : সকাল সকাল অফিসে যাওয়ার তাড়া যেকোনও চাকরিজীবীরই থাকে। তাই বলে সকালের খাবার না খেয়ে যাবেন না। বেলার দিকে অফিস হলে ভাত খেয়ে যেতে পারেন। এতে সারাদিন ক্ষুধা পাওয়ার প্রবণতা কমবে।

কাজের মধ্যে বিরতি নেওয়া : অফিসে প্রতি এক ঘণ্টা অন্তর ১০ মিনিটের বিরতি নিতে পারেন। সেই সময় হাঁটুন। অফিস ফ্লোর বা করিডোরে হাঁটতে পারেন। ওই সময় ফোনে কথা বলতে হলে এক জায়গায় দাঁড়িয়ে না থেকে হাঁটতে হাঁটতে কথা বলুন।

রাস্তার খাবার এড়িয়ে চলা : অফিসপাড়ায় সুস্বাদু খাবারের দোকানে নিয়মিত খাওয়ার প্রবণতা না থাকলেই ভালো। অনেক সময় বাড়ি থেকে খাবার নিয়ে যাওয়াটা ঝক্কির। তবে মনে রাখবেন, বাড়ির খাবার আপনাকে সুস্থ রাখবে। রাস্তার খাবার যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলাই ভালো।

ডেস্কে বসেই হালকা ব্যায়াম : চেয়ারে বসেই হালকা স্ট্রেচিং করতে পারেন। হালকা ঘাড়ের ব্যায়াম করতে পারেন। এতে একনাগাড়ে বসে কাজ করার ক্লান্তি কমবে। আর অফিসে জিম থাকলে তো কথাই নেই!

কাজের ফাঁকে পানি খান : ড্রাই ফ্রুটস বা লো ফ্যাট কুকিজ স’ঙ্গে রাখতে পারেন। ক্ষুধা পেলে কাজের ফাঁকে সেগুলো অল্প করে খান। আর মাঝে মাঝে পানি পান করতে ভু’লবেন না যেন।

অফিস থেকে ফেরার পথে একটু হাঁটা : অফিস থেকে বাড়ি ফেরার পথে এক বা দুই স্টপেজ আগে বাস বা অফিসের গাড়ি থেকে নেমে পড়তে পারেন। এতে হাঁটার অভ্যাস তৈরি হবে। সপ্তাহে দু-একদিন অফিসের লিফট ব্যবহার না করে সিঁড়ি দিয়ে উঠু

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here