রাজধানীর বিমানবন্দর এলাকায় ধ’র্ষণের শি’কার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিয়েছেন, মজনুই সেই ধ’র্ষক।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ঢাকার ৭ নম্বর না’রী ও শি’শু নি’র্যাতন দ’মন ট্রাইব্যুনালে জবানব’ন্দি দেয়ার সময় তিনি মজনুকে ধ’র্ষক হিসেবে শনাক্ত করেন। ট্রাইব্যুনালের বিচারক বেগম কামরুনাহার এ সাক্ষীর জবানব’ন্দি রেকর্ড করেন।

সাক্ষ্য গ্রহণকালে আ’সামি মজনুকে কা’রাগার থেকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। এর আগে গত ২৬ আগস্ট কা’রাগার থেকে ভার্চুয়ালি চার্জ গঠন করে ট্রাইব্যুনাল। সেখানে মজনু নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন।

গত ১৬ মার্চ ঢাকা মহানগর গো’য়েন্দা পু’লিশের পরিদর্শক আবু বক্কর সিদ্দিক আ’দালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

চার্জশিটে বলা হয়, গত ৫ জানুয়ারি বিমানবন্দর সড়কের কুর্মিটোলা বাসস্ট্যান্ডে বাস থেকে নেমে ফুটপাত দিয়ে যাচ্ছিলেন। আ’র্মি গলফ ক্লাব মাঠ সংলগ্ন স্থানে ভি’কটিম (২১) পৌঁছালে আ’সামি মজনু পেছন থেকে গ’লা চে’পে ধরে পাশের ঝোপের আড়ালে মাটিতে ফে’লে গ’লা চে’পে ধরেন।

ভি’কটিম চি’ৎকার করতে গেলে আ’সামি তাকে কিল-ঘু’ষি মে’রে ভ’য়ভীতি দেখালে ভি’কটিম অজ্ঞান হয়ে পড়েন। তখন মজনু ভি’কটিমকে অ’চেতন অবস্থায় ধ’র্ষণ করেন। তিনি একজন অভ্যাসগতভাবে ধ’র্ষণকারী।

এর আগে র‌্যা’ব-১, উত্তরা এর সিপিসি-১ এর চৌকস দল গত ৮ জানুয়ারি মজনুকে ক্যা’ন্টনমেন্ট থানাধীন শেওড়া বাসস্ট্যান্ডের পূর্ব পাশের পাকা রাস্তার ও’পর থেকে গ্রে’ফতার করে। গ্রে’ফতারের পর তার স্বী’কারোক্তি মতে ভি’কটিমের ব্যাগ, মোবাইল ও পাওয়ার ব্যাংক এবং ভি’কটিমের ব্যবহৃত একটি জিন্সের প্যান্ট ও একটি জ্যাকেট উ’দ্ধার করা হয়।

৬ জানুয়ারি ভি’কটিমের অধ্যক্ষ বাবা বা’দী হয়ে ক্যা’ন্টনমেন্ট থানায় না’রী ও শি’শু নি’র্যাতন আইনে ধ’র্ষণের মা’মলা করেন।

মা’মলায় চলতি বছর ৯ জানুয়ারি আ’সামি মজনুর সাত দিনের রি’মান্ড মঞ্জুর করেন। ওই রি’মান্ড শেষে গত ১৬ জানুয়ারি আ’দালতে স্বী’কারোক্তিমূ’লক জবানব’ন্দি দেন। এরপর থেকে তিনি কা’রাগারেই আছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here