গত রবিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) কোনো প্রকার পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই হঠাৎ পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দেয় ভারত। যার ২৪ ঘণ্টা পার না হতেই অস্থির হয়ে ওঠে পেঁয়াজের বাজার। প্রতি কেজি পেঁয়াজের মূ’ল্য রাতারাতি বেড়ে যায় ২০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত। তবে স’রকারের তৎপরতা শেষ পর্যন্ত হিলি বন্দর দিয়ে ভারতের পেঁয়াজের ট্রাক আসতে শুরু করে দেশে।

ভারতের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল তাদের দেশের বাজারের ভারসাম্য রক্ষার জন্যই পেঁয়াজ আম’দানি বন্ধ করে দিয়েছে তারা। এমন কাণ্ডে দেশের পেঁয়াজ আম’দানিকারকরা তো বটেই সাধারণ মানুষ পর্যন্ত ভুগছেন।

এদিকে হিলি বন্দর দিয়ে আসা ২৫০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আসার আগে সেগুলো প্রায় ৫ দিনের মত আ’টকে ছিল ভারতে। ফলে তীব্র গরমে পচন ধরে পেঁয়াজে। পচে যাওয়া এই পেঁয়াজ নিয়ে তাই বিপাকে পড়তে হয়েছে আম’দানিকারকদের। ৬০ কেজি ওজনের পেঁয়াজের একটি বস্তা তারা বা’ধ্য হয়েই বিক্রি করেছেন ৫০ থেকে ১০০ টাকার মধ্যে। বা’ধ্য হয়ে এই পেঁয়াজ বিক্রি করার কারনে ব্যাপক ক্ষ’তির মুখেও পড়তে হয়েছে ব্যবসায়ীদের।

ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকেও এ নিয়ে অসন্তোষও দেখা দিয়েছে। ভারতে আ’টকে থাকা পেঁয়াজের বাকি ট্রাকগুলো যেন দ্রু’ত দেশে আসার জন্য অনুমতি দেয়া হয় সেই ব্যাপারেও আর্জি জানিয়েছেন আম’দানিকারকরা।

প্রস’ঙ্গত, পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দেয়ার পর পুনরায় তা চালু করা হলেও বাংলাদেশে কেবল সেই পেঁয়াজগুলো আসছে যেগুলো আগে থেকেই ব্যবসায়ীরা ক্রয় করে রেখেছিলেন বা সরবরাহ করার পথে রয়েছে। নতুন করে আবার কোনো পেঁয়াজ আম’দানি করার ব্যাপারে ভারত স’রকারের পক্ষ থেকে কিছুই জানায়নি।

ফলে দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম গত দুদিনে কিছুটা স্থিতিশীল হলেও দীর্ঘমেয়াদি কোনো প্রভাব পড়বে কিনা সে ব্যাপারে এখন স’ন্দে’হ প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। বিকল্প হিসেবে মায়ানমার থেকে যে পেঁয়াজ এসেছিল দেশে তা যে প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল সেটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here