ধর্মীয় অনুভূতিতে আ’ঘাতের অ’ভিযোগে গণস্বা’স্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর বি’রুদ্ধে মানহানির মা’মলা হিসেবে নিয়ে চট্টগ্রাম মহানগর গো’য়েন্দা পু’লিশকে ত’দন্তের নির্দেশ দিয়েছে চট্টগ্রামের আ’দালত।

আজ বুধবার বিকেলে চট্টগ্রামের মহানগর হাকিম আবু ছালেহ মো. নোমান এ আদেশ দেন বলে জানিয়েছেন বা’দীর আইনজীবী অ্যাডভোকেট মিথুন বিশ্বাস।

বা’দীর আইনজীবী মিথুন বিশ্বাস বলেন, ‘ঢাকায় ভাসানী পরিষদের এক সভায় রামায়ন ও মহাভারত সম্প’র্কে যে মন্তব্য ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী করেছেন, তাতে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আ’ঘাত ও মানহানি হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘দ’ণ্ডবিধির ৫০০ ধারায় জাফরুল্লাহ চৌধুরীর বি’রুদ্ধে অ’ভিযোগ আনা হয়েছে। আমরা সমন জারির আবেদন করেছি। আ’দালত অ’ভিযোগটি গ্রহণ করে বিকেলে আদেশের জন্য রেখেছেন।’

অ’ভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ৯ আগাস্ট বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনের সড়কে ‘ভাসানী অনুসারী পরিষদ’ আয়োজিত সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘ই’চ্ছাকৃত ও উদ্দেশ্যমূ’লকভাবে’ সনাতন ধর্ম ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আ’ঘাত দিয়ে মন্তব্য করেন ডা. জাফরুল্লাহ।

এতে বলা হয়, ‘হিন্দু ধর্মের গ্রন্থ মহাভারত, রামায়ন দুটোর মধ্যেই প্ররোচনা ও মি’থ্যাচারের গল্পকাহিনী রয়েছে’ বলে জাফরুল্লাহ মন্তব্য করেন, যা দৈনিক পত্রিকা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অনলাইন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়।

রামায়ন ও মহাভারত সনাতন ধর্মীয় দর্শনের ‘ভিত্তি’ উল্লেখ করে অ’ভিযোগে বলা হয়, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় গ্রন্থ সম্প’র্কে জনসম্মুখে দেওয়া বক্তব্য মনগড়া, আ’পত্তিকর, ধর্মীয় বিদ্বেষমূ’লক ও বেআইনি।

ওই বক্তব্যে ‘কুৎসা ও হিংসাত্মক নি’ন্দাবাদ’ প্রচারের মাধ্যমে সনাতন ধর্মকে হেয় প্রতিপন্ন করা হয়েছে উল্লেখ করে অ’ভিযোগে বলা হয়, ‘কোটি কোটি সনাতন ধর্মাবলম্বীর ধর্মানুভূতিতে আ’ঘাত দেওয়ার কুমানসে প্রকাশ্যে এরূপ ধর্ম অবমাননাকর বক্তব্য দিয়েছেন।’

এতে সনাতনী সমাজের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন ও ধর্মীয় অনুভূতিতে আ’ঘাত সৃষ্টি করায় অ’ভিযোগকারী ব্যক্তিগতভাবে ধর্মীয় অনুভূতিতে আ’ঘাতপ্রা’প্ত এবং সম্প্রদা’য়ের মানহানিতে নিজের মানহানি অনুভব করে অ’ভিযোগটি করেছেন বলে উল্লেখ করা হয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here