ক’রোনা ভাই’রাসের কারণে প্রায় ৬ মাস বন্ধ থাকার পর সৌদি আরবে যাওয়ার দ্বার খুলেছে বাংলাদেশি নাগরিকদের। তবে এজন্য বেশকিছু শর্ত মানতে হবে।

নির্দিষ্ট সংখ্যক ভিসাধারীরা দেশটিতে আপাতত যেতে পারবেন। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) এ সংক্রান্ত বেশকিছু নির্দেশনা ওয়েবসাইটে দিয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স।

এতে বলা হয়, এক্সিট, এন্ট্রি, রেসিডেন্ট, ইকামা ও ভিজিট ভিসায় যাদের ভিসার মেয়াদ আছে, তারা সৌদি আরব যেতে পারবেন। ভিসার মেয়াদ ‘ABSHER’ অ্যাপসে অথবা https://www.absher.sa/portal/landing.html লিংকে প্রবেশ করে চেক করা যাবে।

যাত্রীকে সৌদি আরব ল্যান্ডিংয়ের সময় থেকে আগের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে স’রকার অনুমোদিত ল্যাব থেকে কো’ভিড-১৯ টেস্ট করাতে হবে। করোনা নেগেটিভ রেজাল্ট এলে কেবল সৌদি আরবে যেতে পারবেন। ক’রোনা নেগেটিভ সার্টিফিকে’টের ৬টি কপি যাত্রীর স’ঙ্গে রাখতে হবে।

যাত্রীকে বোর্ডিং পাস সংগ্রহের আগেই দেশটির স্বা’স্থ্য ম’ন্ত্রণালয় থেকে ফরম ডাউনলোড করে তা পূর্ণ করে স্বাক্ষর করতে হবে। স্বাক্ষরিত ফরমটি সৌদি আরব এয়ারপোর্টে পৌঁছানোর পর এয়ারপোর্ট হেলথ কন্ট্রোল রুমে জমা দিতে হবে।

যাত্রীকে বোর্ডিং পাস সংগ্রহের আগেই এন্ড্রয়েড স্মার্টফোনে গুগল প্লে স্টোর থেকে ‘ TATAMAN’ ও ‘TAWAKKALNA’ অ্যাপস ডাউনলোড করে যাত্রীর স’ঙ্গে করে সৌদি আরব নিয়ে যেতে হবে। টিকিট বুকিংয়ের সময় যাত্রীর সৌদি আরবের একটি মোবাইল নম্বর (CTCM) ও যাত্রীর ইমেইল আইডি (CTCE) বুকিং PNR এ প্রদর্শন করতে হবে।

এসব শর্তাবলী ল’ঙ্ঘ’ন করলে সৌদি সিভিল এভিয়েশন আইনের ১৬৩ ধারা অনুযায়ী বড় ধরনের জরি’মানা করা হবে বলেও জানানো হয়।

বাংলাদেশকে ভূয়সী প্রশংসা করে যা বললেন এরদোগান

রো’হিঙ্গা শ’রণার্থীদের বাংলাদেশে আশ্রয় দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন তুরস্কের রাষ্ট্রপতি রজব তাইয়্যিপ এরদোগান।পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেনের স’ঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এ প্রশংসা করেন।বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র ম’ন্ত্রণালয় এ ত’থ্য জানায়।

বৈঠকে তারা বাণিজ্যিক পণ্য আদান-প্রদানের বি’ষয়ে নতুন উদ্যোগ নেওয়া, আরও বেশি প্রতিনিধি দল পাঠানো এবং মেলা ও প্রদর্শনীতে অংশ নেওয়ার ও’পর গুরুত্বারোপ করেন।

শিক্ষা, সংস্কৃতি ও সা’মরিক খাতে চলমান সহযোগিতা শ’ক্তিশালী বলে অভিহিত করেন তারা। আলোচনায় উভ’য়েই বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্প’র্কের বি’ষয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।

আগামী বছরের শুরুর দিকে ঢাকায় অনুষ্ঠেয় ডি-৮ শীর্ষ সম্মেলনে তুরস্কের রাষ্ট্রপতি ও বর্তমান চেয়ার এরদোগান যোগ দেওয়ার বি’ষয়ে সম্মতি জ্ঞাপন করেন। এ প্রস’ঙ্গে তিনি নতুন সদস্যরাষ্ট্র যুক্ত করে ডি-৮ সম্প্রসারণের ব্যাপারে জো’র দেন। দু’দেশের বাণিজ্য সম্প’র্ক বৃ’দ্ধির ও’পর গুরুত্বারোপ করে তিনি সুনির্দিষ্ট কিছু প্রস্তাব দেন।

যার মধ্যে রয়েছে বিদ্যমান শুল্কবা’ধা এড়িয়ে নতুন পণ্য, বস্ত্র, ও’ষুধ ও অন্যান্য খাতের বিনিয়োগ। এছাড়া উভ’য় দেশে বাণিজ্য মেলায় অংশ নেওয়া নিশ্চিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। বাংলাদেশে তুরস্কের আর্থিক সহযোগিতায় একটি আধুনিক হাসপাতাল নির্মাণের প্রয়োজনীয় জমি বরাদ্দের জন্য এরদোগান প্রস্তাব দেন।

নি’র্যাতিত রো’হিঙ্গা শ’রণার্থীদের বংলাদেশে আশ্রয় দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভূয়সী প্রশংসা করেন এরদোগান। এ বি’ষয়ে দ্বিপাক্ষিক ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে সম্ভাব্য সবক্ষেত্রে তিনি বাংলাদেশের পাশে থাকবেন মর্মে অভিমত ব্যক্ত করেন।

বিদ্যমান কো’ভিড-১৯ পরিস্থিতিতে তুরস্ক থেকে আরও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পাঠানোর আশ্বাস দেন এরদোগান।

ম’হামা’রি কো’ভিড-১৯ অবসানের পর দ্রু’ততম সময়ে ঢাকায় নব-নির্মিত তুরস্কের দূ’তাবাস ভবন উদ্বোধ’নের প্রাক্কালে প্রে’সিডেন্ট এরদোগান বাংলাদেশে ভ্রমণের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

দুদেশের পররাষ্ট্র ম’ন্ত্রণালয়ের মধ্যে নিয়মিত বিরতিতে উচ্চতর পর্যায়ে এফওসি অনুষ্ঠিত হওয়ায় তিনি সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন। অদূর ভবি’ষ্যতে উভ’য় পক্ষ উচ্চতর পর্যায়ে নিয়মিত আলাপ-আলোচনা চা’লিয়ে নেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ফোরাম গঠনের ব্যাপারে একমত হন।

বৈঠকে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত চাভাসগুলুও উপস্থিত ছিলেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here