পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় সাহসী অভিনেত্রী স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়। আলোচনা যেন তার পিছুই ছাড়েনা।
সেইসাথে সোশ্যাল সাইটে তাকে আ’ক্রমণ করে আসে নানা বি’তর্কি’ত মন্তব্য। আর তার উত্তরে কোন দ্বিধা না রেখে কাটছাট উত্তর দিয়ে ভক্তদের তারিফ কুড়িয়ে নেন এই অভিনেত্রী।

এবার তন্ময় ঘোষ নামের এক ব্যবহারকারী স্বস্তিকার একটি ছবিকে কেন্দ্র করে তাকে ‘এক রাতের জন্য কত টাকা নেন?’ এমন প্রশ্ন করে বসেন।

আর উত্তরে বেশ কড়া করেই জবাব দেন স্বস্তিকা। তন্ময়ের ওই আ’পত্তিকর টুইটের জবাবে স্বস্তিকা লিখেন ‘আপনার সেই সামর্থ্য নেই স্যার। বিনামূ’ল্যে কেবল কল্পনা করতেই পারেন। এটাই চেষ্টা করুন।’

স্বস্তিকার এমন উত্তরে তার ভক্তরা তার প্রশংসায় মেতেছেন। তেমনি তন্ময় ঘোষকে আ’ক্রমণ করেও বেশ টুইট করছেন তারা।

মাসিকের কত দিন আগে বা পরে স’হবাস করলে বাচ্চা হয় না

পিরিওডের র’ক্তক্ষ’রণ শুরু হওয়ার দিন থেকে প্রথম সাত দিন ও শেষ সাত দিন স’হবাস করলে গ’র্ভধারণের সম্ভাবনা কম থাকে। তাই ওই সময়কে স’হবাসের নিরাপদ সময় হিসেবে ধরা হয়। তবে এই শর্ত কেবল সেইসকল না’রীদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য যাদের পিরিওড নি’য়মিত ২৮ দিন (বা নি’য়মিত ২৬ থেকে ৩১ দিন) অন্তর অন্তর হয়।

এদের ক্ষেত্রে রজস্রাব শুরু হওয়ার দিনকে প্রথম দিন ধরে গুণতে থাকলে মো’টামুটি ১২ থেকে ১৯ তম দিনে ডিম্বাণু নির্গমণ হয়। ডিম্বাণু

ওভিউলেশনের পর প্রায় ২৪ থেকে ৪৮ ঘন্টা জীবিত থাকে এবং স্ত্রী জননতন্ত্রে বী’র্যস্খলনের পর শুক্রাণু ৩ থেকে ৫ দিন পর্যন্ত জীবিত থাকতে পারে।

তাই পিরিওডের সপ্তম থেকে ২১ তম দিন পর্যন্ত স’হবাস করলে গ’র্ভধারণের সম্ভাবনা বেশি। পিরিওডের বাকি দিনগুলো, প্রথম থেকে সপ্তম ও ২১ তম দিন থেকে পুনরায় রজস্রাব শুরু হওয়ার দিন পর্যন্ত স’হবাসের নিরাপদ সময় হিসেবে গন্য করা হয়। মনে রাখবেন যে র’ক্তক্ষ’রণ শুরু হবার দিনকে প্রথম দিন ধরেই কিন্তু উপরোক্ত হিসেব দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখযোগ্য যে পিরিওডের কোন দিনই প্রকৃত নিরাপদ দিন নয়। উপরিউল্লিখিত নিরাপদ সময়ে স’হবাস করলেও গ’র্ভধারণের স্বল্প হলেও কিছুটা সম্ভাবনা থেকেই যায়। কাজেই অপর কোন জ’ন্ম নিয়ন্ত্রণের উপায়,

যেমন কন্ডোম বা পিল ব্যবহার করাই শ্রেয়। কারণ যাদের পিরিওড অনি’য়মিত বা ২৮ দিনের থেকে অনেক কম তাদের ক্ষেত্রে কিন্তু উপরোক্ত হিসেব প্রযোজ্য নয়।

উপরন্তু যৌ’নরো’গের সম্ভাবনা সব সময়েই থাকে। তাই ক্যাসুয়াল স’হবাস বা বিবাহবহিঃর্ভুত স’হবাস করার সময় জ’ন্ম নিয়ন্ত্রণ করার এই পদ্ধতির উপর কখওনই নির্ভর করা উচিৎ নয়। এই পদ্ধতি শুধুমাত্র সেই সকল দম্পতিদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য যারা হয়তো এখওনই বাচ্চা-কাচ্চা চান না, কিন্তু নেহাৎ হয়ে গেলেও কোন অসুবিধা নেই।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here