ক’রোনায় আ’ক্রান্ত হয়ে মহাখালীর ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ঢাকাই সিনেমার গুণী অভিনেতা সাদেক বাচ্চু। তার মৃ’ত্যুতে শো’কের ছায়া নেমে এসেছে চলচ্চিত্রাঙ্গনে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বরেণ্য এ অভিনেতাকে হা’রিয়ে অনেকে শো’ক প্রকাশ করছেন।

দীর্ঘদিনের সহকর্মীকে হা’রিয়ে শো’কাহত চিত্রনায়ক ওমর সানী। অসংখ্য স্মৃ’তি ঘিরে রয়েছে এই শিল্পীকে ঘিরে। সেই স্মৃ’তির কিছু অংশ শেয়ার করেছেন তিনি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওমর সানী লেখেন, ‘সাদেক বাচ্চু একটা নাম, একজন অভিনেতা, একটা ইতিহাস। বহু বছর আগে হুমায়ুন ফরীদি ভাই যখন সুপারস্টার তখন তার শিডিউল পাওয়া ভিষণ দুষ্কর। পরিচালক উত্তম আকাশ দাদা এবং আমি চিন্তা করলাম কি করা যায়। বাচ্চু ভাইয়ের কাছে গেলাম। বাচ্চু ভাই বললেন উত্তম তুমি আমার সাথে মজা করছো, তোমার ছবিতে নিবা আমারে ওমর সানির সাথে।

আমি বললাম না বাচ্চু ভাই, আপনি থাকবেন। সেই আখেরি হা’মলা, মুক্তির সংগ্রাম, রঙিন রংবাজ, আরো বহু ছবি একসাথে জুটি হলাম। আমার কাছে মনে হতো একটা ভালো মানুষের ডিকশনারি তিনি।’
সাদেক বাচ্চুর বিদে’হী আত্মার শান্তি কামনা করে সানী আরও লেখেন, ‘আপনি চলে গেলেন আমাদেরকে রেখে। আল্লাহ উনাকে জান্নাত নসিব করুন। এবার বুঝি আমাদের পালা। ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি সবার কাছে। ক্ষমা করবেন। বাচ্চু ভাই আমার জীবনের ছবি হয়ে থাকবেন।’

দিল্লি সহিং’সতা: ভারতের সেই মু’সলিম ছাত্রনেতা গ্রে’ফতার

ভারতের রাজধানী দিল্লিতে সহিং’সতার ঘ’টনায় জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সং’সদের সাবেক সদস্য উমর খালিদকে গ্রে’ফতার করেছে পু’লিশ।

রোববার রাতে তাকে গ্রে’ফতার করেছে দিল্লি পু’লিশের বিশেষ সেল। ‘বেআইনি কার্যকলাপ নিরোধক আইনে’ (ইউএপিএ) মু’সলিম এই ছাত্রনেতাকে গ্রে’ফতার করা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রে’সিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রা’ম্পের ভারত সফরের আগে গত ফেব্রুয়ারিতে রাজধানী দিল্লিতে বি’তর্কি’ত সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের (সিএএ) সমর্থক ও বি’রোধীদের পাল্টাপাল্টি মিছিল থেকে সং’ঘর্ষ শুরু হয়। এক পর্যায়ে সং’ঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে হিন্দু-মু’সলিম দা’ঙ্গার রূপ নেয়।

সং’ঘর্ষে ৫৩ জনের মৃ’ত্যু হয় এবং ৫৮১ জন আ’হত হন। মৃ’ত ও আ’হত ব্যক্তিদের মধ্যে ৯৭ জনের শ’রীরে ব’ন্দুকের গু’লির ক্ষ’তও ছিল।

দিল্লি সহিং’সতার ত’দন্তে বেশ কিছু দিন ধরেই দিল্লি পু’লিশের নজরে ছিলেন উমর খালিদ। শাহিনবাগে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ) বি’রোধী আন্দোলন চলাকালীন, সেখানে তিনি উ’স্কানিমূ’লক ভাষণ দিয়েছিলেন বলে অ’ভিযোগ। সেই নিয়ে গত ১ আগস্টও উমরকে এক দফা জেরা করে পু’লিশ।

তারপর রোববার ফের উমর খালিদকে জি’জ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে পাঠানো হয়। সকাল থেকে টানা ১১ ঘণ্টা জেরার পর, এ দিন তাকে গ্রে’ফতার করে দিল্লি পু’লিশের স্পেশ্যাল সেল।

পু’লিশের দাবি, আম আদমি পার্টির (আপ) সাবেক কাউন্সিলর তাহির হুসেনের স’ঙ্গে মিলে দা’ঙ্গার ষ’ড়যন্ত্র কষেছিলেন উমর। এর আগে, গত ৩ আগস্ট তাহির জেরায় দা’ঙ্গায় নিজের ভূমিকার কথা স্বীকার করেন বলে জানা গেছে।

দিল্লি সংহিসতার ঘ’টনায় গত ৬ মার্চ প্রথম উমর খালিদের বি’রুদ্ধে এফআইআর দা’য়ের হয়। তাতে বলা হয়, উ’স্কানিমূ’লক ভাষণ দেয়ার পাশাপাশি, মা’র্কিন প্রে’সিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রা’ম্প ভারতে থাকাকালীন রাস্তায় নেমে এসে বি’ক্ষো’ভ দেখাতে দিল্লিবাসীকে ইন্ধ’ন জোগান উমরই, যাতে সংখ্যালঘুদের কোণঠাসা করা হচ্ছে, এমন বার্তা আন্তর্জাতিক মহলে পৌঁছে দেয়া যায়।

যদিও দিল্লি পু’লিশের আনা অ’ভিযোগ সেইসময় অস্বীকার করেন উমর। ই’চ্ছাকৃতভাবে তাকে ফাঁ’সানো হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি। গত ৪ সেপ্টেম্বর সংবাদমাধ্যমে উমর অ’ভিযোগ করেন, দেশে এই মুহূর্তে দু’ধরনের আইন চলছে। শাসক দলের সমর্থকদের জন্য একটি, অন্যটি সাধারণ মানুষের জন্য, যারা স’রকারের সমালোচনা করার সাহস দেখান।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here