রংপুর পিবিআইয়ের ত’দন্তে ওই অ’জ্ঞাতনামা শি’শুটির খু’নিরা গ্রে’ফতার হলে তার পরিচয় পাওয়া যায়। শি’শুটির নাম জিহাদ হোসেন (১২)। বাবা জিয়াউর রহমান ও সৎ মা আলেয়া মনি তাকে হ’ত্যা করে লা’শ গো’পন করতে ট্রাঙ্কব’ন্দি করে ঘ’টনাস্থলে ফে’লে রাখে।

হ’ত্যাকাণ্ডের প্রায় দেড় মাস পর ওই হ’ত্যা র’হস্য উদঘাটন হল। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) রংপুর পিবিআই কার্যালয়ে পু’লিশ সুপার এবিএম জাকির হোসেন এক প্রেস ব্রিফিংয়ে ওই হ’ত্যাকাণ্ডের ঘ’টনা জানান।

মা’মলা ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত ১৫ জুলাই নীলফামারী জে’লার ডিমলা থানাধীন রামডাঙ্গা ফরেস্ট ও সিংগাহাড়া নদীর তীরে একটি তালাবদ্ধ ট্রাঙ্ক পড়ে থাকতে দেখা যায়। স্থানীয়রা রাত অনুমান সাড়ে ১২টায় ডিমলা থানা পু’লিশে বি’ষয়টি অবগত করেন।

পু’লিশ, সিআইডি ও পিবিআই রংপুর ঘ’টনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরদিন সকালে স্থানীয় জনসাধারণের সামনে ট্রাঙ্কটি খুলে। সেখানে বেডশিট ও কাঁথা মোড়ানো অবস্থায় একটি অ’র্ধগলিত লা’শ পাওয়া যায়।

পিবিআই মা’মলাটির ছায়া ত’দন্ত শুরু করে। লা’শটি ঝলসানো ও অ’র্ধগলিত থাকায় ফিঙ্গার প্রিন্ট গ্রহণ করে তাকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। উপস্থিত কেউ লা’শটি শনাক্ত করতে পারেনি। পরে ডিমলা থানায় অ’জ্ঞাতনামা আ’সামি করে মা’মলা রুজু করে ত’দন্ত শুরু করে পিবিআই।

পু’লিশ সুপার এবিএম জাকির হোসেন পিবিআই রংপুর জে’লার নেতৃত্বে একটি স্পেশাল টিম ত’থ্যপ্রযুক্তি ও একাধিক বিশ্বস্ত সোর্সের যথাযথ ব্যবহার করে প্রায় ১ মাস ১৭ দিন পর নৃ’শংসতম হ’ত্যাকাণ্ডের স’ঙ্গে জ’ড়িতদের শনাক্ত করতে স’ক্ষম হয়। পরে শি’শুটির বাবা ও সৎমাকে গ্রে’ফতার করা হয়।

আ’টক জিয়াউর রহমানের স্বী’কারোক্তিতে দিনাজপুর জে’লার বিরল উপজে’লায় তার ভাড়া বাসার তৃতীয়তলায় অ’ভিযান চা’লিয়ে তার দ্বিতীয় স্ত্রী ও শি’শু জিহাদের সৎ মা আলেয়া মনি (১৯) ও তার শ্বশুর আইয়ুব আলীকে (৫৫) গ্রে’ফতার করা হয়।

তার ভাড়া বাড়ি থেকে ইলেকট্রিক ওয়াটার হিটার জ’ব্দ করা হয়। যার মাধ্যমে জিহাদকে বালিশচা’পা দিয়ে শ্বা’সরো’ধ করে হ’ত্যার পর মৃ’ত্যু নিশ্চিত হওয়ার জন্য গরম পানি নি’ক্ষেপ করা হয়।

গ্রে’ফতারকৃতরা জি’জ্ঞাসাবাদে জানায়, শি’শু জিহাদের সৎ মা আলেয়া মনি এবং তার বাবা জিয়াউর রহমানের স’ঙ্গে শি’শু জিহাদের বনিবনা না হওয়ায় তারা একত্রে পরিকল্পিতভাবে গত ১৪ জুলাই রাতে ঘুমন্ত জিহাদকে বালিশচা’পা দিয়ে শ্বা’সরো’ধ করে হ’ত্যা করে।

পরে ১৫ জুলাই সকালে হ’ত্যার ঘ’টনা গো’পন করতে তার বাসায় ব্যবহৃত একটি স্টিলের ট্রাঙ্কে শি’শু জিহাদের লা’শ পেঁ’চিয়ে ঢুকিয়ে রাখে। আইয়ুব আলী দুটি চাইনিজ তালা কিনে এনে ট্রাঙ্কটি তালাবদ্ধ করে।

জি’জ্ঞাসাবাদে আরও জানা যায়, জিয়াউর রহমান পিকআপ ভাড়া করে লা’শভর্তি ট্রাঙ্কটি ডিমলা থানাধীন রামডাঙ্গা ফরেস্ট ও সিংগাহাড়া নদীর তীরে ফে’লে রাখে।

মা’মলাটির ত’দন্ত কর্মকর্তা পিবিআই রংপুর জে’লায় কর্মরত এসআই মো. ইকরামুল জানিয়েছেন, আ’সামিরা সবাই স্বী’কারোক্তিমূ’লক জবানব’ন্দি দিয়েছে। মা’মলার ত’দন্ত অব্যাহত আছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here