চকলেটের প্রধান উপাদান হলো কোকো, কোকো বিন্স। আর সাদা চকলেট ক্রিম বা দু’ধ দিয়ে তৈরী হয়, যাতে ১০ শতাংশেরও কম চকলেট লিকার থাকতে পারে।

চকলেট কি আপনার পছন্দ, তাহলে জেনে নিন চকলেটের অজানা কিছু ত’থ্য-

১) চকলেট কিন্তু সবজি

হ্যাঁ, তাই। চকলেট সবজির পরিবারে পরে। আসলে কোকো গাছ সেই প্রজাতিতে পরে যেই প্রজাতি ঢেঁড়শ বা তুলো জ’ন্ম দেয়।

২) সাদা চকলেট আসলে চকলেট না

চকলেটের প্রধান উপাদান হলো কোকো, কোকো বিন্স। আর সাদা চকলেট ক্রিম বা দু’ধ দিয়ে তৈরী হয়। যাতে ১০ শতাংশেরও কম চকলেট লিকার থাকতে পারে।

৩) বাড়ির জন্তুরা চকলেট খায় না

পোষা জন্তুদের জন্য চকলেট মা’রাত্বক হতে পারে। কেননা কোকোতে থিওব্রোমাইন করে একটি পদার্থ থাকে যা পোষা জন্তুদের জন্য ক্ষ’তিকারক হতে পারে। মানুষ এই পদার্থ হজম করে নেয় কিন্তু জন্তুদের জন্য ইট বি’ষাক্ত।

৪) দাঁত খা’রাপ করে না চকলেট

দাঁতে পোকা লাগে এক ব্যাক্টেরিয়ার জন্য যে চিনিকে অ্যাসিড বানিয়ে দেয়। আর তাই দাঁতে ক্যাভিটি লাগে। কোকোতে থাকা এন্টিব্যাকটেরিয়াল পদার্থ দাঁতের জন্য ভালো। তার মানে এই নয় আপনি রোজ চকলেট খাবেন।

৫) কোকো গাছ লাগানো সোজা না

একটা গোটা বছর লাগে কোকো গাছকে ১০টা ছোট চকলেট বার তৈরী করার মতো কোকো জ’ন্ম দিতে।

৬) জানুন পৃথিবীতে কয়টা ফ্লেভারে চকলেট আছে

পৃথিবীতে চকলেটের ৫০০র চেয়ে বেশি ফ্লেভার পাওয়া যায়, যেহেতু ম’দের শুধু ২০০ রকম ফ্লেভার আছে। তো আপনি সবগুলো খেয়েছেন কি?

৭) কোকো বিন্স মুদ্রা হিসাবে ব্যবহার করা হতো

আজটেকরা কোকো বিন্স অনেক ভালোবাসত তাই তার সম্মান করতো এবং মানব বসতিতে কোকো বিন্সকে মুদ্রা হিসেবে ব্যবহার করতো।

৮) কোকো গাছ অমর

কোকো গাছ ২০০ বছর পর্যন্ত বাঁচতে পারে, কিন্তু আজব কথা শুধু ২৫ বছরই বিন্স জ’ন্ম দিতে পারে।

৯) আগে হট চকলেট ছিল, নাকি বার

মক্সিকো আর আজটেকে প্রথম চকলেট হট চকলেটের মত ছিল। বিয়ে বা উৎসবে এই একটু তেতো পানীয় উপভোগ করা হতো।

ত’থ্যসূত্র: এনডিটিভি বাংলা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here