অবসরপ্রা’প্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খানের নি’হতের এক সপ্তাহ পর জাস্ট গো নামের ইউটিউব চ্যানেল থেকে একটি ভিডিও আপলোড করেছিলেন শিপ্রা দেবনাথ। আপলোড হওয়া ভিডিওটির পরপরই নতুন করে আলোচনা-স’মালোচনার মুখে পড়েন সিনহার এই সহকর্মী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে অনেকেই তাকে নিয়ে নে’তিবাচক মন্তব্য করেন।

ইতোমধ্যে শিপ্রা সেই ভিডিওটি স’রিয়ে ফে’লেছেন। তবে সমা’লোচনা কিন্তু থেমে নেই। সেটি নিয়েই এবার কথা বলেছেন শিপ্রা দেবনাথ। মান’সিকভাবে বিপ’র্যস্ত দাবি করা শিপ্রা দেবনাথ বলেন, ‘আমি বুঝতে পারিনি ইউটিউব চ্যানেলে ভিডিও ছাড়া নিয়ে সাধারণ মানুষ এমন বা’জে প্রতিক্রিয়া দেখাবে।

আমার উদ্দেশ্য এমন ছিল না যে আমি রা’তারা’তি সেলিব্রিটি হয়ে যাবো। মানুষের এমন প্রতিক্রিয়ার পর আমি ভিডিওটি সরিয়ে নিয়েছি। তবুও একটা গ্রুপ আমার চরিত্রহননের চেষ্টা করে যাচ্ছে।স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এই শিক্ষার্থী শিপ্রা আরো বলেন, ‘আমি সাধারণ মে’য়ে। সোশ্যাল মিডিয়ায় কারও কারও আ’চরণে আমি অনেক হ’তা’শ হয়েছি।

আর সিনহা ভাই ও আমাদের স’ঙ্গে যা হয়েছে, জীবনের শেষ বি’ন্দু দিয়ে হলেও তার বিচার দেখে যেতে চাই। প্রয়োজনে ন্যায় বিচারের স্বার্থে জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করব।’দেশের জাতীয় একটি দৈনিক পত্রিকায় দেয়া সাক্ষাৎকারে শিপ্রা বলেন, ‘যখন দেখলাম সোশ্যাল মিডিয়ায় নকল ডকুমেন্টারি তৈরি করে জাস্ট গো নামে অনেকে প্রচার করছেন, তখন ভাবলাম আমাদের স্বপ্ন কে’ড়ে নেয়া হচ্ছে।

তখন চিন্তা করলাম আসল ত’থ্য সবাইকে জানাই। সেই জায়গা থেকেই ভিডিও আপলোড করেছিলাম। যখন দেখলাম মানুষ এটা ভালোভাবে নেয়নি, তখন ২৪ ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে তা ডি’লিট করে দিয়েছি। অনেকে ধারণা করেছিল, এটা আমার ব্যবসা ছিল। অনেকে আমাকে ভু’ল বুঝেছিল। তাই তাদের সম্মান জানিয়ে ওই ভিডিও সরিয়ে ফে’লেছি।’

শিপ্রা আরও বলেন, ‘এটা ঠিক আমি পাবলিক ফিগা’র নই। জাস্ট গো সোশ্যাল মিডিয়ায় যাওয়ার পর রাতারাতি পাবলিক ফিগা’রে পরিণত হই। এটা আমি চাইনি। আমাদের স্বপ্ন বাঁচাতে তা আপলোড করেছিলাম। কীভাবে এ ধরনের কাজে সাধারণ মানুষকে হ্যা’ন্ডেল করতে হয়, এটা আমার জানা ছিল না।

এখনও নেই। আমি সাধারণ মে’য়ে। সোশ্যাল মিডিয়ায় কারও কারও আচরণে আমি কিং’কর্ত’ব্যবি’মূঢ়।’ শিপ্রা বলেন, ‘কক্সবাজারে যে ঘ’টনা ঘটেছে, সবাই তার ন্যায়বি’চার চাচ্ছে। তিনিও ন্যায়বি’চারের প্রতীক্ষায় রয়েছেন। এর বাইরে তার আর কোনো কথা নেই।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here