বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের শ্রীলঙ্কা সফর অবশেষে চূড়ান্ত হল। লঙ্কানদের বিপক্ষে তিন ম্যচের টেস্ট সিরিজের পর টি-২০ সিরিজ হবে কিনা তা নিয়ে অনিশ্চয়তায় ছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড।

ফিউচার ট্যুর প্রো’গ্রাম (এফটিপি) এর মধ্যে কোনো টি-২০ সিরিজ না থাকায় নতুন করে আলোচনা করা হচ্ছিল টি-২০ সিরিজ আয়োজনের ব্যাপারে।বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে এসএলসির কছে প্রস্তাব জানানো হয়েছিল তিন ম্যাচের টি-২০ সিরিজের।

তবে শেষ পর্যন্ত সেই প্রস্তাব নাকচ করে দিয়ে বাংলাদেশের বিপক্ষে শুধুমাত্র তিনটি টেস্ট ম্যাচের সিরিজ খেলতে সম্মতি প্রদান করেছে লঙ্কান ক্রিকেট বোর্ড।

সূত্রের খবর শ্রীলঙ্কান ক্রিকেট বোর্ডের সাথে দীর্ঘ সময় ধরে টি-২০ সিরিজ আয়োজনের ব্যাপারে আলোচনা করা হলেও তাতে সাড়া পাওয়া যায়নি। ফলে শুধুমাত্র টেস্ট সিরিজই খেলতে হচ্ছে টাইগারদের।

ইতোমধ্যে শুরু হওয়া টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হিসেবেই এই টেস্ট সিরিজটি আয়োজন করতে যাচ্ছে দুই দেশের ক্রিকেট বোর্ড।, যা আগে থেকেই নির্ধারিত করা ছিল এফটিপিতে।

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজটি অক্টোবর-নভেম্বরের মধ্যে হলেও মুমিনুল হকের নেতৃত্বে টাইগার স্কোয়াড ঢাকা ত্যাগ করবে ২৪ সেপ্টেম্বর। ক’রোনা ঝুঁ’কি এড়াতে ক্রিকেটারদের কো’ভিড-১৯ টেস্ট করার পাশাপাশি শ্রীলঙ্কায় গিয়েও থাকতে হবে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইনে।

কোয়ারেন্টাইন শেষ করে তবেই মাঠে ফিরতে হবে ক্রিকেটারদের। ম্যাচের সময় এবং ভেন্যু এখনও নির্ধারিত না হলেও মাঠে যে দর্শকদের উপস্থিতি থাকবে না সেটা নিশ্চিত। ক্রিকেটারদের সুরক্ষার স্বার্থে গ্যালারি থাকবে ফাঁকা।

উল্লেখ্য, শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বাংলাদেশ দলের এই সিরিজটি অনুষ্ঠিত হবার কথা ছিল গত জুলাই মাসে। তবে ম’হামা’রী ক’রোনা ভাই’রাসের কারনে সেটা গিয়েছে পিছিয়ে।

আন্তর্জাতিক ক্রিকে’টে শুধুমাত্র এই সিরিজটিই পেছানো হয়নি, বেশ কিছু দলের সিরিজ বাতিলও করা হয়েছে। শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড অবশ্য দেশটিতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ফেরাতে মরিয়া ছিল আরও বেশ কয়েকদিন আগে থেকেই।

অন্যান্য দেশের তুলনায় শ্রীলঙ্কায় ক’রোনার প্র’কোপ অনেকটা কম থাকার কারনে দ্রু’তই মাঠে ক্রিকেট ফেরানো সম্ভব হচ্ছে।

৪৭ বলে ২৬ রান, বনাম নিউজিল্যান্ড, ১২৫ বলে ৯৯ রান, বনাম নিউজিল্যান্ড, ৯৫ বলে ১০৩* রান,বনাম নিউজিল্যান্ড

৪০ বলে ২৭* রান, বনাম আরব-আমিরাত, ৫৭ বলে ৪০ রান, বনাম নেপাল, ১৩৮ বলে ১২৬ রান, বনাম শ্রীলংকা

৭ বলে ১ রান, বনাম ভারত, ৩৭ বলে ৩৬ রান, বনাম ইংল্যান্ড, ৩১ বলে ৯ রান, বনাম ভারত

১০০ বলে ৮১ রান, বনাম ইংল্যান্ড, ২১ বলে ২০ রান, বনাম ভারত

৬৮ বলে ৪১ রান, বনাম ইংল্যান্ড, ১২ বলে ৯ রান বনাম, ইংল্যান্ড, ১৩৪ বলে ১০৯ রান, বনাম ভারত

মোট রান= ৭২৭, এভারেজ= ৬০.৫৮, শতক আছে = ৩ টি, ফিফটি আছে = ২ টি

উপরের পরিসংখ্যানটা আমাদের অনূর্ধ্ব-১৯ দলের, সর্বশেষ ১৪ ইনিংসে ওয়ানডে ফরম্যাটে ৩ নং পজিশনে ব্যাট করা মাহামুদুল হাসান জয়ের।

জয়ের পরিসংখ্যানটা এই জন্যই তুলে ধরেছি যে, ফিউচারে আমাদের জন্য ৩ং পজিশনটা কতটা গুরুত্বপূর্ণ হবে সেটা সাকিব অবসর নিলে বুঝতে পারবো। এই ছেলেটার একটা বড় গুন হচ্ছে যদি ফিফটি করে, সেটা ১০০ তে রুপান্তর করার ক্ষ’মতা প্রচুর। ধৈ’র্য আছে অনেক ছেলেটার মধ্যে।

জয়ের মত আরেকজন প্রতিভাবান আছে, নাম অনেকের চেনা, তৌহিদ রিদয়। সর্বশেষ ১৪ ইনিংসে যার রান= ৫৫৬, এভারেজ = ৫৫.৬০, শতক= ১ টি, ফিফটি= ৫ টি। রিদয় এখন নিয়মিত ব্যাটিং করছেন ৪ নং পজিশনে।

এরকম প্রতিভাবান ক্রিকেটার গুলো আমাদের আন্ডার নাইন্টিনে এতটা আলো ছড়ায় যে, ন্যাশনাল টিমে আসলে তাদের আর খুজেই পাওয়া যায় না। আসলে, সমস্যা টা কোথায়?

তাদের বাড়তি কনফিডেন্সের ফলে প্রাকটিস কমিয়ে দেওয়া নাকি বিসিবি থেকে পরিচর্যার অভাব? আন্ডার নাইন্টিনে এরকম একজন ভিরাট-বাবর তৈরী হবার পরেও কেন তাদের অস্তিত্ব পরবর্তীতে আর খুজেই পাওয়া যায় না?

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here